ট্রফির অপেক্ষায় মৃত্যুঞ্জয়

মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। দক্ষিণ আফ্রিকায় অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে মাত্র দুটি ম্যাচ খেলতে পেরেছেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। কাঁধের পুরনো চোট তাকে খেলতেই দেয়নি, তাই বিশ্বকাপের মাঝপথে দেশে ফিরতে হয়েছে। এ নিয়ে হতাশ থাকলেও সতীর্থদের বিশ্বকাপ জয়ে সেসব দূর হয়ে গেছে মৃত্যুঞ্জয়ের। এখন তিনি ট্রফিটাকে ছুঁয়ে দেখার অপেক্ষায়।

আজ বুধবার বিকাল ৪টা ৫৫ মিনিটে বাংলাদেশ দলকে বহন করা বিমানটি বাংলাদেশের মাটি ছুঁবে। মৃত্যুঞ্জয় সতীর্থদের বরণ করতে চলে যাবেন বিমান বন্দরে। সেই অপেক্ষাতে রোমাঞ্চকর সময় কাটাচ্ছেন। সময় যেন কিছুতেই ফুরোচ্ছে না। অপেক্ষায়- ঘরির কাঁটায় কখন ৪টা ৫৫ হবে। বাংলা ট্রিবিউনকে সেই প্রতীক্ষার কথাই বলেছেন তিনি, ‘অবশ্যই যাবো। বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা আসছে, আর আমি যাবো না। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে এমন সাফল্য আর আসেনি। যারা এই সাফল্য নিয়ে এসেছে, তাদের বরণ করতে হবে।’

তিনি জানেন বিমানবন্দরে আজকের দিনটা অন্যরকম কাটবে পুরো যুব দলের। তাই সেই মুহূর্তে দলের সঙ্গী হতে চাইছেন, ‘আমি নিশ্চিত আজ বিমানবন্দরে মানুষের ঢল নামবে। এই ঢলে আমিও থাকতে চাই। এছাড়া ট্রফিটা দেখার জন্য মনটা অস্থির হয়ে আছে। আমি কেবল অপেক্ষা করছি, কখন আমি ট্রফির সঙ্গে একটা ছবি তুলবো।’

শুধু ট্রফির অপেক্ষাতেই প্রহর গুনছেন না মৃত্যুঞ্জয়। বিশ্বকাপের পুরোটা সময় থাকতে পারেননি, সতীর্থদের কাছ থেকে সেই সব অভিজ্ঞতা আরও বিস্তারিত শুনবার আপেক্ষায় আছেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পেস বোলিং অলরাউন্ডার, ‘আমি অপেক্ষা করছি, ওরা কখন আসবে। অনেক গল্প জমে আছে। মাঠে কীভাবে ঝামেলা হলো, সেগুলোতো শুনতে হবে। কীভাবে সময় কাটালো, সব জানতে হবে।’

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফিরে আসার পর প্রতিনিয়ত সতীর্থদের মিস করেছেন এই অলরাউন্ডার। একই সঙ্গে কাজ করেছে হতাশাও, ‘ওদেরকে মিস করেছি। তবে এমন নয় যে, এতদিন ছিলাম না বলে দলের বাইরের কেউ হয়ে গেছি। আমিও এই দলের অংশ। মাঠে না থাকতে পারায় কিছুটা হতাশা কাজ করেছিল। তবে এই মুহূর্তে অন্যসব বাংলাদেশির মতো আমিও খুব আনন্দিত। এই দলের একজন হতে পেরে আমি সত্যিই গর্বিত।’