আগামী সোমবার শুরু পাঁচদিনের রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে বাংলার মুখোমুখি সৌরাষ্ট্র। অনেকে সৌরভের মধ্যে তাই ‘বাংলাপ্রীতি’ খুঁজতে পারেন। কিন্তু তাতে লাভ নেই। সৌরভের বিচার সমান। দেশের হয়ে খেলবেন বলে বাংলার পেসার মোহাম্মদ শামিকেও তিনি খেলার অনুমতি দেননি।
আগামী ১২ মার্চ ধর্মশালায় প্রথম ওয়ানডেতে ভারতের মুখোমুখি হবে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকা। জাদেজা-শামি দুজনেরই একাদশে থাকা নিশ্চিত তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে। দুই রাজ্য দলের দুই টেস্ট খেলোয়াড় অবশ্য খেলার অনুমতি পেয়েছেন। সৌরাষ্ট্রের যেমন চেতেশ্বর পূজারা, বাংলার তেমনই ঋদ্ধিমান সাহা।
সৌরাষ্ট্রের লক্ষ্য রঞ্জির প্রথম ট্রফি। আর ১৩ বছর পর ১৪তম বারের মতো ফাইনালে উঠে বাংলা চায় তৃতীয় শিরোপা। বাংলার সর্বশেষ শিরোপা জয় ৩০ বছর আগে, ১৯৯০ সালে। অভিমন্যু ঈশ্বরণের নেতৃত্বে দুর্দান্ত খেলছে এবার বাংলা।
অভিজ্ঞ মনোজ তিওয়ারির ব্যাটে আশ্চর্য ধারাবাহিকতা, দারুণ ব্যাট করে চলেছেন অনুষ্টুপ মজুমদার ও বাঁহাতি স্পিনিং অলরাউন্ডার শাহবাজ আহমেদ। ঈশান পোড়েল, মনোজ কুমার ও আকাশ দীপ সমন্বিত পেস বোলিং ইউনিটটাও প্রতিপক্ষের জন্য ভয়ঙ্কর। তবে বাংলার সাফল্যের পেছনে আসল মস্তিষ্ক সম্ভবত কোচ অরুণ লাল, ভারতের সাবেক ওপেনার। সৌরাষ্ট্র দলের কোচও কিন্তু সাবেক এক ভারতীয় ক্রিকেটার, কারসন ঘাউড়ি। চলতি মৌসুমের এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৬৫ উইকেট পাওয়া বাঁহাতি পেসার জয়দেব উনাদকাটকে দিয়েই বাংলাকে ‘শেষ’ করবেন বলে হুমকি দিয়েছেন তিনি।