বিতর্ক চলছে উইজডেনের বর্ষসেরা পাঁচ ক্রিকেটার নিয়ে যেখানে এই পেরির সঙ্গে নির্বাচিত হয়েছেন জোফরা আর্চার, প্যাট কামিন্স, মার্নাস লাবুশেন ও সাইমন হার্মার। ২০১৯ বিশ্বকাপে নজিরবিহীন পাঁচটি সেঞ্চুরিসহ সর্বোচ্চ রান করেও ভারতের রোহিত শর্মা কেন এই পাঁচজনের একজন হতে পারলেন না, সে নিয়ে অনেকেই বিস্মিত। রোহিতের পূর্বসূরি ভারতের সাবেক ব্যাটিং তারকা ভিভিএস লক্ষ্মণ শুধু বিস্মিতই নন, তার কাছে এই নির্বাচন মর্মপীড়াদায়ক।
লক্ষ্মণ কারো নামোল্লেখ করেননি, তবে এই পাঁচজনের কাউকে অবশ্যই ২০১৯ অ্যাশেজের পারফরম্যান্স বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। আর এটাই ভারতীয় টেস্ট দলের সাবেক ‘পঞ্চপাণ্ডবের’ একজন মানতে পারছেন না। লক্ষ্মণ স্টার স্পোর্টস শো ক্রিকেট কানেক্টেডে নিজের মত জানাতে গিয়ে বলেছেন, অ্যাশেজের চেয়ে বিশ্বকাপ বড়, ‘ আমার মনে হয় ক্রিকেটের খোঁজখবর রাখেন এমন যে কেউই পাঁচ খেলোয়াড়ের তালিকায় রোহিত শর্মার নাম না দেখে বিস্মিত ও মর্মাহত হবেন। অ্যাশেজ একটি গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ, কিন্তু বিশ্বকাপ অ্যাশেজের চেয়ে বড়। একজন বিশ্বকাপে পাঁচটি সেঞ্চুরি করেছে এবং মনে করে দেখুন সাউদাম্পটনের কঠিন উইকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সে সেঞ্চুরি করেছে যেখানে অন্য কোনও ব্যাটসম্যান রান করতে পারেনি। সে পাকিস্তানের বিপক্ষেও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছে। আমি সত্যিই মর্মাহত ও বিস্মিত এবং প্রত্যেক ক্রিকেটারই উইজডেনের এই ঘোষণায় মর্মাহত ও বিস্মিত হবে।’
২০০৫ সালে অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফের পর দ্বিতীয় ইংলিশ হিসেবে উইজডেনের লিডিং ক্রিকেটারের খেতাব পেলেন স্টোকস। আর অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডর পেরি ২০১৬ সালের পর আবারও এই পুরস্কার পেলেন। ইতিহাসের প্রথম নারী হিসেবে এই পুরস্কার দুবার পেলেন তিনি।
২০১৯ সালে স্টোকস টেস্টে ৮২১ রান করেছেন ৪৫ গড়ে, যার মধ্যে রয়েছে লর্ডসের সেঞ্চুরি এবং ওয়ানডেতে প্রায় ৬০ গড়ে করেছেন ৭১৯ রান। পেরির পারফরম্যান্স অবশ্য আরও উজ্জ্বল। ২০১৯ সালে একমাত্র টেস্টের দুই ইনিংসে করেছেন সেঞ্চুরি ও অপরাজিত ৭৬, ওয়ানডেতে অপরাজিত সেঞ্চুরি করেছেন দুটি, যা তার গড় নিয়ে গেছে ৭৩-এ। ৬টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ইনিংসে একবারই মাত্র আউট হয়েছেন, গড় ১৫০। আর বোলিংয়ে ২১টি ওয়ানডে উইকেট নিয়েছেন ১৩ গড়ে, টি-টোয়েন্টিতে উইকেট ৬টি।
অন্যদিকে, টি-টোয়েন্টির ২০১৯ লিডিং ক্রিকেটার `ক্যারিবীয় ঝড়’ আন্দ্রে রাসেল ২০ ওভারের ক্রিকেটে ১০৮০ রান করার পাশাপাশি উইকেট নিয়েছেন ৪৬টি।