আজহারউদ্দিনকে নিয়ে আবার এতকিছু বলার কারণ তার সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাৎকার। গালফ নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, সুযোগ পেলে ভারতীয় দলের কোচ হতে চান। ‘হ্যাঁ, আমি এটার জন্য প্রস্তুত। ভারতীয় দলের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ যদি পাই, আমি সেদিকে ঝাঁপ দেবো’- গালফ নিউজকে বলেছেন আজহারউদ্দিন।
অধিনায়ক হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৭৪টি ওয়ানডেতে ভারতকে নেতৃত্ব দেওয়া আজহার এই সময়ে দলের সঙ্গে এত সাপোর্ট স্টাফ দেখে একটু অবাকই হন, ‘এখনকার দিনে দলের সঙ্গে কত লোক থাকে, এটা দেখে আমি অবাক হই। উদাহরণ হিসেবে বলি, আমার বিশেষ জ্ঞান আছে ব্যাটিং ও ফিল্ডিংয়ে,সুতরাং আমি যদি কোনও দলের কোচ হই তাহলে তো আমার কোনও ব্যাটিং কোচ লাগবে না। তাই নয় কি?’
আজহারের আশা, যাবতীয় অনিশ্চয়তা সরিয়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ এ বছরই হবে, কারণ এটি ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের অনেক দিয়েছে। ‘আমি আশা করি লিগটা শেষ পর্যন্ত একটা উইন্ডো (আয়োজনের সময়) পাবে যাতে আমরা অন্ততপক্ষে সাতটি করে ম্যাচ পাই। এই লিগটা (আইপিএল) কারোর পছন্দ হোক বা না হোক, গত ১০-১২ বছর ধরে খেলাটিকে অনেক দিয়ে আসছে এটা’-আইপিএল আয়োজনের পক্ষে স্পষ্ট মত দিয়েছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক।
আইপিএল কেন তার পছন্দ, সেটি আজহার বুঝিয়ে বলেছেন উদাহরণ দিয়ে, ‘এটি এমন এক মঞ্চ যেখানে ভালো খেলে ক্রিকেটাররা সবার চোখে পড়তে পারে ও স্বীকৃতি পেতে পারে। একবার ভাবুন, আইপিএল যদি না থাকতো হার্দিক পান্ডিয়া ও যশপ্রীত বুমরা হয়তো এখনও ফার্স্ট-ক্লাস ক্রিকেটেই সংগ্রাম করতো। আমি মনে করি বিসিসিআই (ভারতীয় বোর্ড) ও ক্রিকেটার দুই পক্ষের জন্যই লাভ হয়েছে আইপিএল আসায়। কিন্তু কিছু সমালোচক যে এটিকে টাকা কামানোর ফিকির বলে, আমি সেটি মানি না।’
হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে সরাসরি ক্রিকেট প্রশাসনে জড়িয়ে পড়েছেন। এটি কেমন লাগে আজহারের কাছে? উত্তরে বলেছেন এটি খুব চ্যালেঞ্জিং কাজ, ‘এটা ভীষণ চ্যালেঞ্জিং কাজ। আমাদের ২২৬টি অনুমোদিত ক্লাব আছে এবং পুরোপুরি নিরপেক্ষভাবে সেগুলোকে নিয়ে চলতে হয়। ১৫ জনের একটি ক্রিকেট টিমকে নেতৃত্ব দেওয়ার চেয়ে এটি অনেক কঠিন।’