লর্ডসের ফাইনালে টস জিতে অস্ট্রেলিয়া বোলিং করেছিল প্রথম। ৬০ ওভারের ম্যাচে ৮ উইকেটে ২৯১ রান তুলে নিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাতে অধিনায়ক লয়েডেরই অবদান ১০২ রান। ৮৫ বলে খেলেছিলেন এই ইনিংসটি, সময়ের বিবেচনায় রীতিমতো ঝোড়ো সেঞ্চুরি। রোহন কানহাই ৫৫ রান করেছিলেন ১০৫ বলে। ব্যাটিংয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান বলতে আর ছিল শেষদিকে উইকেটকিপার ডেরিক মারের ১০ বলে ১৪ রান। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১২ ওভারে ৪৮ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়েছিলেন বাঁহাতি পেসার গ্যারি গিলমোর।
২৯২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় দারুণ শুরু করেছিল অস্ট্রেলিয়া। অ্যালার টার্নার ও ইয়ান চ্যাপেল ৪০ ও ৬২ রানের ইনিংস খেলে ভালো জায়গায় নিয়ে গিয়েছিলেন দলকে। কিন্তু এরপরই ভিভিয়ান রিচার্ডসের অসাধারণ থ্রোয়ে তিনটি রান আউট অস্ট্রেলিয়ার। একে একে আউট হন টার্নার, গ্রেগ চ্যাপেল ও তার বড় ভাই অধিনায়ক ইয়ান চ্যাপেল। ম্যাচ হেলে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিকে। ডানহাতি পেসার কিথ বয়েস নেন অস্ট্রেলিয়ার চারটি উইকেট, ২৭৪ রানে অলআউট হয়ে যায় অজিরা। ১৭ রানে ম্যাচ জিতে প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের উৎসবে মেতে ওঠে ক্লাইভ লয়েডের ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের সভাপতি রিকি স্কেরিট সেই বিজয়ের বর্ষপূতির দিনে শুভেচ্ছা বার্তায় বলেছেন, ‘স্যার ক্লাইভ লয়েড ও তার কিংবদন্তিতুল্য সহখেলোয়াড়দের মাধ্যমে আসা এই বিশ্বকাপ জয় প্রতিটি প্রান্তের ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানদের এনে দিয়েছিল অসাধারণ এক গৌরব ও সম্মান। আর সে কারণেই ক্রিকেট মাঠের গৌরবময় অতীতের স্মৃতি কখনও মুছে যাওয়ার নয়। আমি সেই বিশেষ জয়টির বর্ষপূর্তির উদযাপনে তাদের সঙ্গে শরিক হচ্ছি যারা সত্যিই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটকে ভালোবাসে।’
ক্লাইভ লয়েড বলেছেন, ‘সত্যিই আজকের দিনটি আমার জীবনে খুবই স্মরণীয় দিন। আসলে ওই বিশ্বকাপের দিনগুলোই আমাদের জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, কারণ আমরা অপরাজিতভাবে বিশ্বকাপ জিতেছিলাম। কেউ আমাদের হারাতে পারেনি।’