ইউএস পিজিএ ট্যুর’স মেমোরিয়াল টুর্নামেন্টের সম্প্রচারের সময় নিকলাউস জানান, তার স্ত্রীর কোনও উপসর্গ না থাকলেও নিকলাউসের গলায় ছিল প্রচণ্ড ব্যাথা, সঙ্গে ছিল কাশি। এমন উপসর্গ ছিল তার ১৩ মার্চ থেকেই।
তবে পুরোপুরি সংক্রমণ মুক্ত হতে তাদের এক মাসেরও বেশি সময় লেগেছিল বলে জানিয়েছেন, গলফে সর্বোচ্চ ১৮টি মেজর জেতা এই মার্কিন কিংবদন্তি, ‘ভাগ্য ভালো ছিল যে এটা বেশি দিন স্থায়ী হয়নি।’ এমনটা বলার কারণ নিকলাউস ও তার স্ত্রী দুজনেরই বয়স ৮০ বছর। ফলে এই বয়সে কোভিড-১৯ এর উপসর্গগুলো গুরুতরভাবেই হানা দেওয়ার ঝুঁকি থাকে।
তার পরেও সুস্থ হয়ে ফেরায় নিজেদের ভাগ্যবানই মনে করেন নিকলাউস। তবে যারা প্রাণঘাতী ভাইরাসটিতে প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের পরিবারের জন্য সমবেদনা জানাতে ভোলেননি তিনি, ‘যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা। তবে যারা বেঁচে গেছেন আমরা সেই ভাগ্যবানদের দলেই পড়ে গেছি।’