মাত্র ১১ দিন আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এখন তো আপনার ঘরে থাকার কথা আপনি মাঠে কেন? বাংলা ট্রিবিউনের করা এমন প্রশ্নের জবাবে নাজমুল হাসতে হাসতে পাল্টা প্রশ্ন করলেন, ‘মাঠেও তো ফিরতে হবে? আর কতদিন ঘরে থাকবো। ঘরে বসে থেকে ফিটনেস নিয়ে কাজ করলেই তো চলবে না। বাসা ও বাসার বাইরে কাজ করার মধ্যে পার্থক্য আছে। মাঠের মনোযোগটা বাসায় ধরে রাখা কখনোই সম্ভব নয়। বাসায় সমস্ত উপকরণ থাকলেও আমরা মাঠের মতো অনুশীলন করতে পারবো না। বাসায় টুকটাক কাজ করছিলাম। তবে আজকে মাঠে যেতে পেরে আমার অনেক হালকা লাগছে। মনে হচ্ছে যেন নতুন জীবন ফিরে পেলাম। সত্যি কথা বলতে খুব স্বস্তিকর অনুভূতি।’
দীর্ঘ অপেক্ষার পর মাঠে নেমে নাজমুল ফিটনেস বাড়াতে রানিংই করেছেন বেশি। মাঠে ফিরে দারুণ অনুভূতি তার। নাজমুল বলেছেন,‘অবশ্যই অনেক ভাল লাগছে। অনেক দিন পর মাঠে এসে প্র্যাকটিস করতে পারলাম। কখনো এমন হয়নি। তিন-চার মাস বাসায় বসে ছিলাম। নতুন এক্সপিরিয়েন্স ছিল। মাঠে আসতে পেরে আনন্দিত এবং অনেক বেশি উপভোগ করলাম।’
অনুশীলনে ফিরলেও ক্রিকেটারদের সামনে কোনও লক্ষ্য নেই। এমন অবস্থান মোটিভেশন ধরে রাখা কঠিন। নাজমুলও সেটা জানেন, কাজটা কঠিন হলেও নাজমুল মনে করেন, ‘আমাদের জন্য খুব চ্যালেঞ্জিং। যেহেতু সামনে কোনও লক্ষ্য নেই। এর বাইরে চারমাস পর ক্রিকেট মাঠে ফিরে স্বাভাবিক কাজকর্মগুলো করা খুবই চ্যালেঞ্জিং। ফিটনেস সম্পর্কিত টুকটাক কাজ যেহেতু আগে করা আছে। এখন যদি আমরা কয়েকটা সেশন পার করতে পারি, তাহলেই আগের মতো অবস্থায় ফিরতে পারবো। তবে আমাদের মানসিকভাবে আরও রিকভার করতে হবে। আমার মনে হয় মাঠে অনুশীলন করতে করতে রিকভারি হয়ে যাবে।’
মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার অনুশীলন করেছেন মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, শফিউল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান।সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলন করছেন খালেদ আহমেদ ও নাসুম আহমেদ। খুলনায় মিরাজ ছাড়াও অনুশীলন করছেন নুরুল হাসান ও মেহেদি হাসান। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে চলছে নাঈম হাসানের অনুশীলন। ঈদের আগে রবিবারই ক্রিকেটারদের শেষদিনের মতো অনুশীলন হবে।