টস জিতে সন্ধ্যায় বোলিং নিয়েছিলেন পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক বাবর আজম। টসের সময় ইংল্যান্ড অধিনায়ক ইয়ন মরগানও বলেছিলেন টস জিতলে তিনিও নিতেন বোলিং। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছিল ধুন্ধুমার ব্যাটিং হয়তো হবে না, কন্ডিশন সাহায্য করবে বোলারদের। দলের তিন রানে ওপেনার জনি বেয়ারস্টোকে (২) নিজের বোলিংয়েই তালুবন্দি করেন বাঁহাতি স্পিনার ইমাদ ওয়াসিম। দ্বিতীয় উইকেটে ৭১ রানের জুটি গড়ে রান আউট হয়ে যান ডেভিড মালান (২৩)। তখন মনে হচ্ছিল অনেক বড় রান করবে ইংল্যান্ড! এক প্রান্ত থেকে হাঁকিয়ে যাচ্ছিলেন ব্যান্টন। শাদাব খানের লেগস্পিনে ক্যাচ দেওয়ার আগে ২১ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান চার বাউন্ডারি ও পাঁচ ছক্কায় ৪২ বলে করে গেছেন ৭১ রান। চতুর্থ আন্তর্জাতি টি-টোয়েন্টিতে তার সর্বোচ্চ, অবশ্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই এটি তার সর্বোচ্চ ইনিংস। অনেকটা কেভিন পিটারসেনের ‘কার্বন কপি’ ডানহাতি ৬টি ওয়ানডেও খেলেছেন, যেখানে সর্বোচ্চ রান ৫৮।
ব্যান্টন আউট হওয়ার পর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এগোতে পারেনি ইংল্যান্ড। পাকিস্তানের স্পিনাররাই বাধা হয়ে দাঁড়ান ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের সামনে। অধিনায়ক ইয়ন মরগানকে (২৩) ফিরিয়েছেন অফস্পিনার ইফতিখার। মঈন আলীকে (৮) শাদাব, লুইস গ্রেগরিকে (২) ইমাদ। ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে ১৩১ পর্যন্ত যেতেই বৃষ্টি পণ্ড করেছে খেলা।
আগামী রবি ও মঙ্গলবার অনুষ্ঠেয় বাকি দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচই নির্ধারণই করবে সিরিজের ফল।