মঙ্গলবার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে সাকিব লিখেছেন,
চমৎকার একজন নারীর ছেলে আমি, জীবন চলার পথে স্ত্রী হিসেবে পেয়েছি অপূর্ব একজন নারীকে, দারুণ একজন নারীর ভাই আমি আর দুটি ফুটফুটে কন্যার বাবা। এক শ্রেণির বর্বর মানুষ বয়স, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে নারী ও শিশুদের প্রতি প্রতিদিনই যে জঘন্য অন্যায় করছে, তারপর আমি আর চুপ থাকতে পারি না। আমার অবস্থান তাই সব ধরনের ঘৃণা ও সহিংসতার বিরুদ্ধে।
একে অপরের অধিকার রক্ষা ও আদায়ের জন্য আমাদের চালিয়ে যেতে হবে লড়াই, ঠিক যেভাবে আমাদের অধিকার নিশ্চিত করতে লড়েছিলেন আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা।
আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই নৈতিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করি এবং আমাদের নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করি, যাতে তারা স্বপ্ন দেখতে পারে এবং নির্ভয়ে তাদের জীবনযাপন করতে পারে। মনে রাখবেন, আজকে আমরা যদি এই বর্বর আচরণ ও মানসিকতার বিরুদ্ধে রুখে না দাঁড়াই়, তবে একদিন আমাদের প্রিয়জনদের একজনই হতে পারে এই নির্মমতার ভুক্তভোগী।
সাকিব ছাড়া অন্য ক্রিকেটাররাও ফেসবুকের মাধ্যমে নারী নির্যাতনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাসকিন তার ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে ধর্ষকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন।
কেবল ক্রিকেটাররাই নন, সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষও প্রতিবাদী হয়ে উঠেছেন। ধর্ষকদের শাস্তি নিশ্চিত করতে অনেকেই নেমেছেন রাস্তায়।
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে সিলেটের এমসি কলেজের সামনে তরুণীর ধর্ষণের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার ৩২ দিন পর রবিবার দুপুরে সেই নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়। যে ঘটনার বিরুদ্ধে তৃতীয় দিনের মতো সারাদেশে আন্দোলন চলছে।