ফ্লাডলাইটের আলোয় ফিরলেন তারাও

ফ্লাড লাইটের নিচে অনুশীলন শুরুর আগে ওরা সাতজনকরোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সাত মাস ধরে পুরো ক্রিকেটাঙ্গনই ছিল স্থবির । ছেলেদের ক্রিকেট ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হলেও মেয়েদের ক্রিকেট এখনও মাঠে ফেরেনি। ব্যক্তিগত উদ্যোগে বেশ কয়েকজন অনুশীলন করলেও মাঠের সংকটে সেই সুযোগটা নিয়মিত পায় না নারী ক্রিকেট দল। বুধবার রাতে অবশ্য সালমা-জাহানারাদের জন্য বিরাট সুযোগ নিয়ে আসে হোম অব ক্রিকেটে ফ্লাড লাইটের আলো।

এদিন সন্ধ্যার পর মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ২২ গজ কৃত্রিম আলোয় হয়ে ওঠে উজ্জ্বল। এই উজ্জ্বল আলোর নিচে সবার আগে মাঠে নামেন জাহানারা আলম ও  টি-২০ অধিনায়ক সালমা খাতুন। তাদের অনুসরণ করেন নাহিদা আক্তার, শামীমা সুলতামা, শারমিন সুলতানা, রাবেয়া আক্তার ও লতা মন্ডল। ফিটনেস সেশন দিয়ে শুরু হয় ঢাকায় থাকা ৭ ক্রিকেটারের অনুশীলন।

ফ্লাডলাইটের আলোয় এমন সুযোগ সচরাচর পান না সালমা-জাহানারারা। তারা সর্বশেষ ফ্লাডলাইটের আলোয় অনুশীলন করেন অস্ট্রেলিয়ায় টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে গত জানুয়ারিতে। দীর্ঘ প্রায় ১০ মাস পর আবারও ফ্লাডলাইটের আলোয় অনুশীলন করতে নেমে দারুণ খুশি দেখালো ক্রিকেটারদের। তাই তো স্কিল ট্রেনিংয়ে নামার আগে ছবি তোলায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন তারা।

জাহানারা ও সালমা আরব আমিরাত যাচ্ছেন মেয়েদের আইপিএলে খেলতে। তাদের প্রস্তুতির জন্য কৃত্রিম আলোয় অনুশীলনের সুযোগ করে দিয়েছে বিসিবি। স্থানীয় কোচ মাহবুব আলী জাকি ও ট্রেনার বৈশাখীর তত্ত্বাবধানে তাদের অনুশীলন চলছে।

ফ্লাডলাইটের প্রস্তুতি নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনের কাছে বেশ আশাবাদী মনে হয় জাহানারাকে, ‘অনেকদিন পর ফ্লাডলাইটের আলোতে অনুশীলন করছি। মাঠের অনুশীলন সবসময়ই দারুণ ব্যাপার। আজকের অনুশীলনটা ভালো হয়েছে। আশা করি পুরো প্রস্তুতি নিয়েই আরব আমিরাতে যেতে পারবো।’

আগামী ২১ অক্টোবর আরব আমিরাতে যাচ্ছেন জাহানারা ও সালমা। বুধবার দুই ক্রিকেটার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়েছেন। আগামী ১৯ অক্টোবর দ্বিতীয় পরীক্ষায় পর নেগেটিভ হলেই তারা বিমানে উঠতে পারবেন। ২১ অক্টোবর বিমানে ওঠার আগে আরও কয়েকদিন প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পাবেন সালমা ও জাহানারা।