বাংলাদেশ দল ইতিবাচক ফল চায়। তবে তার আগে দলের খেলোয়াড়দের ফিটনেসসহ সবকিছু নিয়েই ভাবতে হচ্ছে ইংলিশ কোচ জেমি ডেসহ সংশ্লিষ্টদের। আগামী শুক্রবার বিকেল থেকে জামাল-সোহেল রানাদের অনুশীলন শুরু হতে যাচ্ছে। তবে কোচিং স্টাফ লন্ডন থেকে আসবে ২৯ অক্টোবর। এখন দুটি ম্যাচের আগে স্বল্প প্রস্তুতিতে পুরো দলকে ফিট করে তোলাটা চ্যালেঞ্জ। জেমি ডেও এটা মেনে নিচ্ছেন। বুধবার অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘দুটি দল প্রস্তুতির সময় একই পাবে। দলের অবস্থাও প্রায় একই থাকবে। অল্প সময়ের মধ্যে তাদের তৈরি হতে হবে। দুটি দলই আন্তর্জাতিক ম্যাচ সামনে রেখে অনুশীলন শুরু করবে। তবে সম্ভবত অল্প সময়ের মধ্যে সেরা প্রস্তুতি নিতে হবে। যারা ইনজুরি মুক্ত থাকবে, তারাই ভালো ফল করবে।’
ভালো খেলেই তৃপ্ত থাকতে চান না কোচ, জয়ও তার মাথায় আছে, ‘প্রতিটি কোচ চায় ম্যাচ জিততে। আমিও তাই। ২০ দিনের প্রস্তুতি নিয়ে ভালো ফল করতে হবে। তবে জয়টাই শুধু চাওয়া নয়, ফুটবলকে মাঠে ফেরানোর বিষয়টাও আছে। আগামী বছর আমাদের সামনে ব্যস্ত সূচি। এ দুটি ম্যাচ দিয়ে সেই প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।’
বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে এরইমধ্যে যোগাযোগ করে ডের মিশ্র অভিজ্ঞতা হয়েছে, ‘আমরা খেলোয়াড়দের জিজ্জেস করেছি, সাত মাস পর খেলার বিষয়ে। কিছু খেলোয়াড় বলছে এখনও তারা তৈরি নয়। মাত্র খেলা শুরু করেছে তারা। কিছু খেলোয়াড়ের ৩ থেকে ৫টি ম্যাচ লাগবে আগের ফর্মে আসতে। সুতরাং দুটি ম্যাচ আমরা অজানা অবস্থান থেকে খেলতে যাচ্ছি। আমার কাজ হলো ২০ দিনের মধ্যে তাদের যতদূর সম্ভব ভালো অবস্থানে নিয়ে আসা।’
ডের সহকারী স্টুয়ার্ট ওয়াটকিস দলের খেলোয়াড়দের বর্তমান অবস্থা দেখেই ট্রেনিং প্রোগ্রাম সাজাতে চাইছেন, ‘শুরুতে আমাদের দেখতে হবে খেলোয়াড়দের ফিটনেস লেবেল কোন অবস্থায় আছে। সেটা দেখে আমরা ট্রেনিং প্রোগ্রাম সাজাতে পারবো। তারপর টেকনিক্যাল ও ট্যাকটিকাল দিক নিয়ে কাজ করতে হবে।’