কাদিরের স্পিনে ঘায়েল জিম্বাবুয়ে, সিরিজ পাকিস্তানের

উসমান কাদিরের গুগলি, রাওয়ালপিন্ডিতে, রবিবার - ছবি:আইসিসিজিম্বাবুয়ের যে ব্যাটিং শক্তি সেটির বিপক্ষে ভালো বোলিংয়ের বেশি কৃতিত্ব, না তাদের বোলিংয়ের বিপক্ষে ভালো ব্যাটিংয়ের কৃতিত্ব বেশি? রবিবার সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই  তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজটা জিতে নেওয়া পাকিস্তানের অনেকের কাছেই হয়তো প্রশ্নটা জেগেছে। পাকিস্তানের কিংবদন্তি লেগস্পিনার আবদুল কাদির তনয় উসমান কাদিরের দুর্দান্ত লেগস্পিন এ ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ১৩৪ রানের বেশি যেতে দেয়নি। চার ওভারে ২৩ রান দিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৩ উইকেট নিয়েছেন উসমান। ম্যান অব দ্য ম্যাচ তবু তিনি নন। সেই পুরস্কার পেয়েছেন ৪৩ বলে অপরাজিত ৬৬ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ জেতানো তরুণ ব্যাটসম্যান হায়দার আলী।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে যাওয়া জিম্বাবুয়েকে এ ম্যাচেও প্রথম আঘাত হেনেছেন পেসার হারিস রউফ। দুই ওপেনার ব্রেন্ডন টেলর ও চামু চিবাবাকে ফিরিয়ে দেন ৩০ রানের মধ্যে। ৮ রান পর অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান শন উইলিয়ামসকে বোল্ড করেন ফাহিম আশরাফ। তারপরই দৃশ্যপটে আবির্ভাব উসমানের। সিকান্দার রাজা, আগের ম্যাচে ৭০ রান করা ওয়েসলি মাধেভেরে ও এল্টন চিগুম্বুরাকে পর পর আউট করেন প্রয়াত কাদিরের তৃতীয় ছেলে। তার নিয়ন্ত্রিত ফ্লাইট, লেগ ব্রেক ও গুগলির কোনও জবাব ছিল না জিম্বাবুয়ে ব্যাটসম্যানদের কাছে। ১৪ ওভারে ৬ উইকেটে ৯০ রানে পরিণত দলটি বাকি ৬ ওভারে আর এক উইকেট হারিয়ে যোগ করেছে ৪৪ রান। সর্বোচ্চ ৩২ করে অপরাজিত থাকেন রায়ান বার্ল। ২৪ রান করেছেন মাধেবেরে। চিগুম্বুরা ১৮।

রান তাড়া করতে গিয়ে ১০ রানে ফখর জামানকে হারায় বটে পাকিস্তান, তবে দ্বিতীয় উইকেটেই গড়েছে শতরানের জুটি। অধিনায়ক বাবর আজম ২৮ বলে ৫৫ করে আউট হওয়ার পর খুশদিল শাহকে নিয়ে দলকে জিতিয়ে ফিরেছেন হায়দার আলী। চার ওভারে ৩৩ রান দিয়ে দুটি উইকেটই নিয়েছেন পেসার ব্লেজিং মুজারাবানি। ২৯ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতে সিরিজ ২-০ করেছে পাকিস্তান।

ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়েকে ধবলধোলাই করতে পারেনি পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টিতে সেই সুযোগ এখনও আছে। আগামীকাল রাওয়ালপিন্ডিতেই সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।