তামিমের হাফসেঞ্চুরিতে বরিশালের স্বস্তির জয়

ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলার পথে তামিম -বিসিবিশেষ ওভারে গিয়ে জেমকন খুলনার বিপক্ষে হার দিয়ে শুরু হয়েছিল ফরচুন বরিশালের। তবে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেই অধিনায়ক তামিম ইকবালের হাফসেঞ্চুরিতে স্বস্তির জয়ে পেয়েছে তারা। শনিবার মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর ১৩২ রানের জবাব দিতে নেমে ৬ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেট হাতে রেখে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তামিমের দল।

১৩৩ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই ওপেনার মিরাজকে হারায় বরিশাল। আগের ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও ওপেনিংয়ে পাঠানো হয় মিরাজকে। ১ রানের বেশি করতে পারেননি স্পিনিং অলরাউন্ডার। পারভেজকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে তামিম যোগ করেন ৬১ রান। মেহেদী হাসানের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ১৭ বলে ২৩ রান করে আউট হন পারভেজ। এরপর তৌহিদ হৃদয়ের সঙ্গে ৪৮ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়লেও শেষ পর্যন্ত জয় হাতছাড়া হতে দেননি তামিম। উইকেট আগলে রেখে ৭৭ রানের ইনিংস খেলে জয় সঙ্গী করে মাঠ ছেড়েছেন দেশসেরা ওপেনার। ৬১ বলে ১০ চার ও ২ ছক্কায় তামিম সাজিয়েছেন তার ৭৭ রানের ইনিংসটি। রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে মুকিদুল ইসলাম ২৭ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া ইবাদত হোসেন ও মেহেদী হাসান ১টি করে উইকেট নিয়েছেন।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রিত রাজশাহী শুরুটা ভালোই করেছিল। ওপেনিং জুটিতে ৩৯ রান যোগ করে আউট হন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন। ১৯ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলেন উদ্বোধনী এই ব্যাটসম্যান। তবে নাজমুলের বিদায়েরর পর দ্রুত রনি তালুকদার (৬) ও মোহাম্মদ আশরাফুল (৬) আউট হয়ে গেলে  চাপে পড়ে রাজশাহী। ৬৩ রানে ৫ উইকেট হারানো রাজশাহীকে সম্মানজনক স্কোরে নিয়ে যান ফজলে মাহমুদ (৩১) ও মেহেদী হাসান (৩৪)। ২৩ বলে ৩ ছক্কায় মেহেদী ইনিংসের সর্বোচ্চ রান করেন। এদের ৬৫ রানের জুটির কল্যাণে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান করে রাজশাহী। বরিশালের বোলারদের মধ্যে কামরুল হাসান রাব্বি ২১ রান খরচায় নেন ৪ উইকেট। মেহেদী হাসান ১৮ রানে ২টি এবং আবু জায়েদ ও তাসকিন ১টি করে উইকেট নেন।