অবশ্য পার্ক দু প্রিন্সেসে পিএসজির হারের চেয়ে বেশি আলোচনায় নেইমারের চোটের ঘটনা-ই। একই ম্যাচে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়রা ৬বার ফাউল করেছিলেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে। এতবার ফাউলের শিকার নেইমার তার পরেও দমে যাননি। কিন্তু ম্যাচের ৯৬ মিনিটে ষষ্ঠ ফাউলটিতে আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারেননি ব্রাজিলীয় তারকা। লিওঁর থিয়াগো মেন্ডেসের কড়া চ্যালেঞ্জ মাটিতেই ফেলে দেয় তাকে। আর এই ফাউলই কাল হয়ে দাঁড়ায় তার জন্য। চোটের অবস্থা গুরুতর ছিল বলেই মনে হচ্ছিলো তখন। মাটিতে পড়ন্ত অবস্থায় ব্যথায়, যন্ত্রণায় কাঁদতে দেখা যায় নেইমারকে। এর পরেই তাকে স্ট্রেচারে ছাড়তে হয়েছে মাঠ।
ফাউল করে নিজে বাঁচতে পারেননি মেন্দেস। এই কাণ্ডের জন্য রেফারি তাকে শুরুতে হলুদ কার্ড দেখালেও পরে রিভিউ করে শাস্তিটা বাড়িয়ে দিয়েছেন। মেন্দেসকে দেখান লাল কার্ড।
অবশ্য শেষ দিকের এই ঘটনার আগেই এক গোলে এগিয়ে গিয়েছিল লিওঁ। ৩৫ মিনিটে কেদেওয়েরের গোলটাই হয়ে থাকে লিওঁর জয় নির্ধারক।
পিএসজির হারের ফলে ১৪ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বসেছে লিল। যারা বোর্দোকে হারিয়েছে ২-১ গোলে। জয়ের পর লিওঁর পয়েন্টও সমান ২৯। কিন্তু গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় তারা দুইয়ে অবস্থান করছে। আর ২৮ পয়েন্ট নিয়ে তিনে নেমে গেছে পিএসজি।