মুশফিকুর রহিমের মতো নাসুম নিজেও গতকালের ঘটনার ব্যাখ্যার জন্য আশ্রয় নিয়েছেন ফেসবুকের। যে ঘটনা রাতারাতি খলনায়কে পরিণত করে দিয়েছে মুশফিককে। তবে ঘটে যাওয়া ঘটনায় মুশফিকের পক্ষেই যুক্তি দেখিয়েছেন নাসুম, ‘আসসালামু আলাইকুম। আশা করি, সবাই ভালো আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। গতকাল (সোমবার) ম্যাচের পর থেকে দেখছি, আমাকে আর মুশফিক ভাইকে নিয়ে আপনারা যেগুলো লিখছেন তা কাম্য নয়। যেগুলো টিভি সেটে দেখছেন, তা অন দ্যা ফিল্ডে হতেই পারে, আমাদের মিস এফোর্টের মাত্রাটাও একটু বেশিই ছিল গতকাল। পার্টিকুলারলি আমি এফোর্টলেস ছিলাম। মুশফিক ভাই অনেক সিরিয়াস ও ডেডিকেটেড ছিল ম্যাচে এবং আমার প্রতি এক্সপেকটেশনটাও বেশি ছিল। যাইহোক স্রেফ অন দ্য ফিল্ডের কাহিনী। এসব আমরা অন দ্য ফিল্ডেই শেষ করে নেই।’
এর পর নাসুম স্পষ্ট করেই জানিয়েছেন, মুশফিকের সঙ্গে ওই ঘটনায় তার তেমন কিছুই হয়নি, ‘আমাদের তেমন কিছু হয়নি। ম্যাচের পরে উনার সঙ্গে অনেকবার কথা হয়ছে ড্রেসিংরুম, টিম হোটেলে। আর উনি আমার বড় ভাইয়ের মতো। দল নেতা হিসাবে আমাকে শাসন করতেই পারেন। কিন্তু মাফ চাওয়ার প্রশ্নই আসে না। দয়া করে আমাদের এই ইস্যু নিয়ে তেমন কিছু লিখবেন না। আজ আমাদের গুরুত্বপূর্ণ খেলা আছে। সবাই দোয়া করবেন জাজাকাল্লাহু খাইরান।’
অথচ সকালেই মুশফিক নিজের পোস্টে লিখেছিলেন, তিনি নাসুমের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে সবার আগে আমি ম্যাচ চলাকালীন ঘটে যাওয়া ঘটনাটি সম্পর্কে আমার সমস্ত ভক্ত এবং দর্শকদের কাছে ক্ষমা চাইতে চাই। আমি ইতিমধ্যে আমার সহকর্মী, সতীর্থ নাসুমের কাছে খেলার পরে ক্ষমা চেয়েছি।’
প্রসঙ্গত, নাসুমের সঙ্গে ঘটনাটা ঘটেছিল গতকাল বরিশালের ইনিংসের ১৩ তম ওভারে। নাসুমকে বিশাল ছক্কা মেরেছিলেন আফিফ। নাসুমের ছক্কা খাওয়াটা মুশফিক ভালোভাবে হজম করতে পারেননি। পরের বলেই আফিফ মিডউইকেটে বল ঠেলে সিঙ্গেল নিয়েছেন। তখন নিজের পজিশন ছেড়ে বল কুড়িয়ে আনতে গিয়েছিলেন নাসুম, সঙ্গে মুশফিকও। তখন বলটি হাতে তুলে নিয়েছিলেন মুশফিক-ই, কিন্তু উত্তেজিত মুশফিক বল হাতে নিয়ে উইকেটে না মেরে প্রথমে নাসুমকে মারার জন্য উদ্যত হয়েছিলেন!একই ঘটনা ১৭তম ওভারেও ঘটান মুশফিক।