মাঠে নামার অপেক্ষায় তারা

বামে মতিন, সবার ডানে মাশুক মিয়া জনি।দু’জনেই এই বছর পরিত্যক্ত হওয়া প্রিমিয়ার ফুটবল লিগ খেলতে পারেননি। বলতে গেলে বছরের অধিকাংশ সময়ে তারা বাইরে ছিলেন চোটের কারণে! আশার কথা, সেই দু’জন মাশুক মিয়া জনি ও মতিন মিয়া সুস্থ হয়ে অনুশীলন শুরু করেছেন। এখন আসছে ফেডারেশন কাপ ফুটবলে বসুন্ধরা কিংসের হয়ে মাঠে নামার অপেক্ষায় আছেন তারা।

মাঝে জাতীয় দলের কোচ জেমি ডে তাদের ক্যাম্পে ডেকেছিলেন। কিন্তু রিকোভারি সেশনে থাকায় ক্লাব তাদের ছাড়েনি। আসলে এই দুজনকে নিয়ে বসুন্ধরা কোন ঝুঁকি নিতে রাজি ছিল না। এখন অবশ্য তাদের সুস্থতা নিয়ে কোন ধরনের সংশয় নেই। তারা শুধু অপেক্ষা প্রহর গুনছেন।

মিডফিল্ডার মাশুক মিয়া জনি চোট পেয়েছিলেন ২০১৯ সালে। তাজিকিস্তানে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে আফগানিস্তান ম্যাচের আগে ঘটেছিল অঘটন। অনুশীলনে এক সতীর্থের সঙ্গে সংঘর্ষে ডান পায়ের এসিএল ছিঁড়ে যায় তার। অস্ত্রোপচারও করতে হয়েছে। এখন চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। বলতে গেলে শতভাগ ফিট তিনি। জনি নিজেই বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আমি আগের চেয়ে অনেক ভালো অবস্থায় আছি। অনুশীলনে ঘাম ঝরাচ্ছি। পায়ে কোনও সমস্যা অনুভব করছি না। আশা করছি, আসন্ন ফেডারেশন কাপ দিয়ে ফের মাঠে নামতে পারবো।’

মতিন অবশ্য এই বছরের শুরুর দিকে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ খেলতে পেরেছিলেন। তবে সেমিফাইনালে বুরুন্ডির বিপক্ষে মাত্র চার মিনিট খেলার পরই হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাকে। যে চোট মতিনকে শুধু বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপই নয়, ছিটকে দেয় প্রিমিয়ার ফুটবল লিগ থেকেও।

তবে এখন এই দুই ফুটবলারই মাঠে ফেরার অপেক্ষায় আছেন। তাদের ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলটির টেকনিক্যাল ডিরেক্টর বিএ জোবায়ের নিপু, ‘জনি ও মতিন দুজন’ই ভালোভাবে অনুশীলন করছেন। আশা করছি, দুজনকেই ফেডারেশন কাপে দেখতে পাওয়া যাবে। এতে করে দল আরও শক্তিশালী হলো।’

ফেডারেশন কাপে আগামী ২২ ডিসেম্বর বসুন্ধরা কিংসের প্রথম ম্যাচ রহমতগঞ্জের বিপক্ষে।