মূলত বোর্ডের সভাপতি হয়েও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে বিজ্ঞাপনী চুক্তি করাতেই নাখোশ বোর্ডের বাকি সদস্যরা। এতে করে কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্টের বিষয়টি-ই ধেয়ে আসছে সৌরভের সামনে। তার ওপর তাদের আরও আপত্তির কারণ, সৌরভ এমন সব বিজ্ঞাপনেই নাম জড়িয়েছেন, যারা বোর্ডের চুক্তিবদ্ধ বিজ্ঞাপনী সংস্থার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী! যেমন একটি ফ্যান্টাসি গেমিং অ্যাপ আইপিলের টাইটেল স্পন্সর হওয়ার পরেও সৌরভ তাদেরই প্রতিপক্ষ ব্র্যান্ডের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়েছেন! যা নিয়ে বোর্ডের ভেতরে তীব্র অসন্তোষ জমা হয়েছে। ফলে অনেক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে পারেন বিসিসিআই সভাপতি। এর মধ্যে বড় প্রশ্নটি হলো- সভাপতি হয়েও তিনি বোর্ডের বা তার প্রতিপক্ষ বিজ্ঞাপনী সংস্থা থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন কিনা। যার গঠনতান্ত্রিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন করা হবে তাকে।
এসব ইস্যু উত্থাপন হতে পারে ২৪ ডিসেম্বরের বার্ষিক সভায়। একই সঙ্গে সমস্যা নিরসনে বোর্ডের এথিকস অফিসার ও ন্যায়পাল কর্তৃক সুপারিশের বিষয়টিও পর্যালোচনা করবে বোর্ড।