অবশ্য ম্যাচের আগেই দুঃসংবাদে দিন শুরু করেছিল জুভেন্টাস। দলে করোনা ছড়িয়ে পড়ায় অক্টোবরে তাদের সঙ্গে ম্যাচ খেলতে পারেনি নাপোলি। তখন ওয়াকওভারের কল্যাণে পুরো তিন পয়েন্ট জুভেন্টাসকে দেওয়ার সঙ্গে নাপোলিরও পয়েন্ট কর্তণের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছিল। পরে অবশ্য এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেছিল নাপোলি। যার রায় হয়েছে মঙ্গলবার। সেই সিদ্ধান্তে পুনরায় অনুষ্ঠিত হবে এই ম্যাচ। তাই না খেলে ৩ পয়েন্ট পাওয়া জুভেন্টাসের সেই পয়েন্ট কর্তণ হয়ে গেছে ম্যাচের আগেই। যার ফলে টেবিলে চারে নেমে যেতে হয়েছে রোনালদোদের।
হয়তো এর নেতিবাচক প্রভাবই পড়েছে পরে। শুরুতে অগোছালো খেলতে থাকা জুভেন্টাস গোল হজম করে বসে ৩ মিনিটে। ভ্লাহোভিচের গোলে এগিয়ে যায় ফিওরেন্তিনা। এক গোলে পিছিয়ে যাওয়া জুভেন্টাসের আরও সর্বনাশ ডেকে আনেন কুদ্রাদো। ১৮ মিনিটে বাজে ট্যাকলের খেসারত হিসেবে দেখেন লাল কার্ড। ফলে বাকিটা সময় ১০ জনের দল নিয়ে খেলেছে ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নরা।
তবে এর মাঝেও বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করেছিলেন জুভেন্টাস প্রাণভোমরা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। কিন্তু কাজে লাগেনি একটিও। দ্বিতীয়ার্ধে জাল কাঁপিয়েছিলেন ঠিকই, অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে গেছে তা। উল্টো ৭৬ মিনিটে তাদের ম্যাচ থেকে আরও ছিটকে দেন জুভেন্টাসের লোবো সিলভা। তার আত্মঘাতী গোলেই ফিওরেন্তিনার স্কোর হয়ে যায় ২-০। ৮১ মিনিটে জুভেন্টাসের হারটা আরও সুনিশ্চিত করে ছাড়েন কাসেরেস।
এই পরাজয় ও আগের ৩ পয়েন্ট হারানোয় জুভেন্টাসের সংগ্রহ এখন ২৪ পয়েন্ট। শীর্ষে থাকা এসি মিলানের চেয়ে ৭ পয়েন্ট পিছিয়ে তারা!