এএফসির লাইসেন্স পেলো আবাহনী, না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ মোহামেডান!

আবাহনীএশিয়ার অন্যতম ক্লাব প্রতিযোগিতা এএফসি কাপ খেলতে হলে ক্লাবগুলোকে কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। তা নাহলে এএফসি কাপে খেলার জন্য তাদেরকে বিবেচনায় রাখে না এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন(এএফসি)। এবারও ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের বেশ কিছু শর্ত পূরণ করে এএফসি ক্লাব লাইসেন্স পেয়েছে বাংলাদেশের চারটি ক্লাব। ঐতিহ্যবাহী আবাহনী লিমিটেডের সঙ্গে আরও তিন ক্লাব হলো- বসুন্ধরা কিংস, শেখ রাসেল ও সাইফ স্পোর্টিং। তবে এই তালিকায় স্থান হয়নি মোহামেডান স্পোর্টিং ও শেখ জামাল ধানমণ্ডির।

সাধারণত এএফসি কাপে খেলতে হলে ক্লাব লাইসেন্সিং ছাড়াও ঘরোয়া ফুটবলে দুটি প্রতিযোগিতায় সাফল্য থাকতে হয়। যেমন ফেডারেশন কাপ ও প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন দলই এএফসি কাপে খেলার সুযোগ পায়। যে কারণে এবার বাংলাদেশ থেকে আবাহনী লিমিটেড ও বসুন্ধরা খেলবে সেখানে।

অবশ্য ওই চার ক্লাব লাইসেন্স পেয়েছে এর আগেও। সাধারণত প্রতি বছর লাইসেন্স নবায়ন হয়।

এএফসির লাইসেন্সিং প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের(বাফুফে) কম্পিটিশন কমিটির ম্যানেজার জাবের বিন তাহের আনসারি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘চারটি ক্লাব এএফসির সব শর্ত পূরণ করেছে। তাদেরকে ৪০ থেকে ৪৫ রকমের ডকুমেন্টও দিতে হয়েছে। অবকাঠামো থেকে শুরু করে আর্থিক ভিতসহ অনেক কিছুই জানাতে হয়েছে এএফসিকে। সবকিছু দেওয়ার পর এএফসি সন্তুষ্ট হয়ে দুটি ক্লাবকে এএফসি কাপে খেলার জন্য যোগ্য মনে করেছে।’

মোহামেডান ও শেখ জামালের লাইসেন্স না পাওয়ার কারণ হিসেবে এই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘ওই দুটো ক্লাব সব কাগজপত্র দিতে পারেনি। তাই এএফসির লাইসেন্স পায়নি।’

এদিকে লাইসেন্স না পাওয়ায় ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহামেডান কোচ শন লেন, ‘আমাদের ক্লাব থেকে সবরকমের কাগজপত্রই দেওয়া হয়েছে। কেন আমাদের নাম নেই, বুঝতে পারছি না। এটা তো হতে পারে না। আমাদের তো এএফসি কাপে খেলার লক্ষ্য আছে।’