আজ (সোমবার) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘সফরটি এই মুহূর্তে এপ্রিলকে টার্গেট করে করা হচ্ছে। এই সময় দুই দলের জন্য ফাঁকা সময় রয়েছে। আমরা এপ্রিলকে লক্ষ্য করেই কাজ করছি।’
টেস্টের সঙ্গে অন্য কোনও ফরম্যাট যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা, এমন প্রশ্নে বিসিবির প্রধান নির্বাহীর উত্তর, ‘আমাদের যখন আলোচনা হয়েছে, তখন টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের কমিটমেন্ট অনুযায়ী আমরা শ্রীলঙ্কার সঙ্গে টেস্ট ম্যাচ খেলবো। তার সঙ্গে যদি অন্যকিছু যুক্ত করা সম্ভব হয়, তাহলে অবশ্যই যুক্ত করে নেবো। কিন্তু কমপক্ষে দুটি টেস্ট আমরা খেলবো।’
শ্রীলঙ্কা সিরিজকে সামনে রেখে গত ১৯ জুলাই ক্রিকেটাররা ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনুশীলন শুরু করেছিলেন। অনিশ্চয়তা মাথায় নিয়ে ২০ সেপ্টেম্বর কোচদের অধীনে শুরু হয় অনুশীলন। মূলত ১৩ সেপ্টেম্বর বিসিবি বরাবর চিঠি পাঠায় লঙ্কান বোর্ড, সেই শর্ত অনুযায়ী শ্রীলঙ্কায় দল পাঠাতে ইচ্ছুক ছিল না বিসিবি। এরপর শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড তাদের সরকারের সঙ্গে কথা বলে সিরিজটি আয়োজনের ব্যাপারে উদ্যোগী হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের উদ্যোগ আর সফল হয়নি। সূচি অনুযায়ী, গত ২৭ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কা সফরে যাওয়ার কথা ছিল মুশফিক-মুমিনুলদের। কিন্তু ২৮ সেপ্টেম্বর বিসিবির ঘোষণার পর শ্রীলঙ্কা সফর স্থগিত হয়ে যায়।
করোনা মহামারীর মাঝে অন্য দেশগুলো যে প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছে, শ্রীলঙ্কা সেখানে ব্যতিক্রম। ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনের যে শর্ত জুড়ে দিয়েছিল তারা, তা এক কথায় অবাস্তব। দুই সপ্তাহ হোটেল রুমে বন্দী থাকতে হবে বাধ্যতামূলক। এই ১৪ দিনে হোটেলের মধ্যে যদি ক্রিকেটারদের জিম, সুইমিং পুলের ব্যবস্থায় আন্তরিক হতো লঙ্কান সরকার, তাহলেও হয়তো সিরিজটি মাঠে গড়ানো সম্ভব হতো।