২১ বার ফাউলের শিকার নেইমার, তারপরও দারুণ খেলে জিতলেন 

একের পর এক ফাউলের শিকার। তারপরও নেইমার জাদু দেখালেন। তার নৈপুণ্যে কোপা সুদামেরিকানার শেষ ষোলোর লড়াইয়ে দারুণ এক জয় পেয়েছে সান্তোস। প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা। নেইমারের জোড়া অ্যাসিস্ট এবং উইলিয়ান আরানোর জয়সূচক গোলে ম্যাকারাকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল সান্তোস।

বৃহস্পতিবার ভিলা বেলমিরোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতেই ধাক্কা খায় সান্তোস। খেলার বয়স তখন মাত্র তিন মিনিট; দারুণ গোলে ম্যাকারাকে এগিয়ে নেন পসে। পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে স্বাগতিকরা। প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে নেইমার দেখিয়ে দেন ম্যাজিক। সতীর্থ ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল বারবোসা গাবিগোলকে লক্ষ্য করে দুর্দান্ত এক নিখুঁত পাস বাড়ান, যা কাজে লাগাতে ভুল করেননি গাবিগোল।

দ্বিতীয়ার্ধেও প্রতিপক্ষের ওপর চাপ বজায় রাখে সান্তোস। অন্তত দুটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়। ৭৬ মিনিটে নেইমারের কর্নার কিক থেকেই আসে জয়সূচক গোলটি। তার নিখুঁত কর্নার থেকে বল পেয়ে দারুণ হেডে স্কোরলাইন ২-১ করে ফেলেন উইলিয়ান। আগামী বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ইকুয়েডরে ফিরতি লেগের ম্যাচে ম্যাকারার মুখোমুখি হবে সান্তোস। এই ম্যাচে ড্র করলেই তারা কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করবে।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সান্তোস কোচ কুকা নেইমারের প্রশংসা করে বলেন, ‘নেইমার খুব কঠিন একটি ম্যাচে দারুণ খেলেছে। প্রতিপক্ষ তাকে ২১ বার ফাউল করেছে, যা অনেক বেশি। সে আমাদের প্রধান খেলোয়াড় এবং প্রতিপক্ষের মূল লক্ষ্য। সে বলের পেছনে ছুটেছে, গতি বাড়িয়েছে, ফিনিশ করেছে এবং সতীর্থদের জন্য দারুণ সুযোগ তৈরি করেছে। এর পাশাপাশি সে প্রচুর লড়াই করেছে, নিচে নেমে বল দখল করেছে। দলের জয়ে তার ভূমিকা অসাধারণ।’