টসে জিতে ব্যাট করতে নামা খুলনার পথচলা সুন্দর হয়নি ওপেনার অাবদুল মজিদের ১০ রানের বিদায়ে। রংপুরকে শুভ সূচনা এনে দেন স্পিনার আরাফাত সানি । দশ রানের মাথায় সানিকে কাট করতে গিয়ে ব্যাটের ভেতরের কানায় বল লাগিয়ে প্লেইড অন হন মজিদ। আর কিছুক্ষণ পরেই আন্দ্রে ফ্লেচারের বিদায় ঘণ্টা বাজান সানি। গ্ল্যান্স করতে গিয়ে আট রানে লেগবিফোর হন ফ্লেচার। ২০ রানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে বিপদে পড়ে খুলনা।
আগের ম্যাচগুলোতে এমন অবস্থা থেকে দলকে টেনে তুলেছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ, এবার আর পারেননি। ১১ রান করে শহীদ আফ্রিদিকে ছক্কা মারার চেষ্টায় তিনি বল জমা দেন ডিপ মিডউইকেটে দাঁড়ানো আনোয়ার আলির হাতে।
রিকি ওয়েসেলস ছিলেন ক্রিজে, তবে কখনোই খুলনার রানের চাকায় ছিল না বাড়তি গতি। ৩৩ বলে একটি ছক্কা ও দুটি চারে ২৭ রান করে তিনি রুবেল হোসেনের বলে নাঈম ইসলামের ক্যাচে ধরেন সাজঘরের পথ। ১৭ ওভারের দ্বিতীয় বলে ওয়েসেলসকে ফেরানোর পর এই ওভারের শেষ বলেই আরেক সেট ব্যাটসম্যান তাইবুর রহমানকে কট বিহাইন্ড করেন রুবেল। ৩৭ বলে ৩টি চার ও একটি ছক্কায় ৩২ রান করে তাইবুরই ছিলের খুলনার সর্বাধিক স্কোরার। তার এ ৩২ রান না হলে আরও ছোট হতো খুলনার সংগ্রহ।
শেষ দিকে আফ্রিদিকে মারা আরিফুল হকের দুটি ছক্কায় ১৩ বলে ২২ রানের ইনিংসে সংগ্রহটা ১২৫ রানে নিয়ে যায় খুলনা। বড় নয়, তবে লড়াই করার মতো সংগ্রহ বলা যায় একে।
/আরএম/এফএইচএম/