আগে ব্যাট করে ৪৯.৩ ওভারে ২৪৯ রান সংগ্রহ করে প্রাইম ব্যাংক। মেহেদি মারুফের সঙ্গে শাহনাজ আহমেদের ৫৯ রানের জুটিতে শুরুটা ভালো হয় প্রাইম ব্যাংকের। কিন্তু আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা সাব্বির রহমান, অধিনায়ক শুভাগত হোম চৌধুরীর দ্রুত বিদায়ে বেশি সুবিধা করতে পারেনি দলটি।
১০৫ রানে চার উইকেট হারিয়ে চাপে পরা প্রাইম ব্যাংক প্রতিরোধ গড়ে শিহান জয়াসুরিয়ার ব্যাটে। তাইবুর রহমানের সঙ্গে তার ৬০ রানের জুটি ভাঙার পর আবার পথ হারায় দলটি।
ব্রাদার্সের বোলারদের মধ্যে ২৫ রানে তিন উইকেট নিয়েছেন নূর আলম। এছাড়া তুষার ইমরান ও সিদ্দিকুর রহমান দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।
জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৪২.৫ ওভারে ১৯৩ রান করে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। এরপর বৃষ্টি নামলে এখানেই খেলার সমাপ্তি হয়। ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে সে সময় জয়ের জন্য ব্রাদার্সের দরকার ছিল ১৮৭ রান।
ইমরুল কায়েসের সঙ্গে ৩৮ রানের জুটিতে দলকে সাবধানী শুরু এনে দেন শাহরিয়ার। দ্বিতীয় উইকেটে তুষারের সঙ্গে ৭৪ রানের জুটি উপহার দেন তিনি। তুষার ফিরে যাওয়ার পর জাকির হাসানের সঙ্গে ৭৬ রানের আরেকটি ভালো জুটি গড়েন শাহরিয়ার। জাকির ফিরে যাওয়ার সময় ৯ ওভারে ৬২ রান প্রয়োজন ছিল ব্রাদার্সের। তবে বৃষ্টির হানায় ততদূর খেলা গড়ায়নি।
প্রাইম ব্যাংকের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নিয়েছেন শিহান জয়াসুরিয়ার।
/আরআই/