বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমনের বড় ভাই কাজী ইকরামুল বাশার তুহিন বর্তমানে ক্যান্সারে ভুগছেন। তার মুখে হাসি ফুটানোর জন্য সমাজের বিত্তবানদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়েছেন মাশরাফি-তামিম-মুশফিক-তাসকিনরা।
রবিবার হাবিবুল বাশারের বড় ভাই ইকরামুল বাশার তুহিনকে দেখতে তার নিজ বাসায় যান ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা, টেস্ট অধিনায়ক মুশফিক ও সহ-অধিনায়ক তামিম ইকবাল এবং তরুণ পেসার তাসকিন আহমেদ।
সেখানে সাংবাদিকদের মাধ্যমে তার চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানসহ আরও ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তারা।
মাশরাফি বিন মর্তুজা তার বক্তব্যে বলেন, সমাজের বিত্তবানদের পাশাপাশি স্পোর্টসের সঙ্গে যারা জড়িত আছেন। এবং যারা অবস্থাসম্পন্ন তাদের আমরা জাতীয় দলের খেলোয়াড় হিসাবে অনুরোধ করবো আপনারা তুহিন ভাইয়ের পাশে দাঁড়াবেন। এই সময় মানুষ একটু সমবেদনা চায়, আমার বিশ্বাস আপনারা উনার পাশে এসে দাঁড়ালে উনি একটু সাহস পাবেন।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, ফুটবল ফেডারেশন, অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন সবাই এসে সাহায্য করবেন এই প্রত্যাশা করবো। উনি প্রায় ৫-৬ বছর মোহামেডান ক্লাবে খেলেছেন; তাই আশা করবো মোহামেডান ক্লাব উনার পাশে এসে দাঁড়াবে।'
তামিম ইকবাল বলেন, ‘ক্রীড়া মানুষের মনে সুখের সঞ্চার করে। আর একজন ক্রীড়াবিদ কষ্ট পাবে এটা কোনওভাবেই হতে পারে না। ক্রিকেটাররেদ পক্ষ থেকে সবাইকে অনুরোধ, আপনারা সবাই যদি এগিয়ে আসেন তাহলে উনার পরিবারের জন্য অনেক বড় সাহায্য হবে।’
মুশফিকুর রহিম বলেন, ‘যাদের সামর্থ্য আছে তারা যেন তুহিন ভাইয়ের পাশে এসে দাঁড়াই। আর আমরাও আছি। আমরাও চেষ্টা করবো তাকে সাহায্য করার।'
তরুণ ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, ‘এ মুহূর্তে বড় বড় মানুষ, প্রতিষ্ঠান যারা আছে তাদের এখন উনার পাশে থাকা উচিত। তিনি স্পোর্টসের জন্য অনেক কিছু করেছে।'
ভালো মানের ফুটবলার হওয়ার পরও জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামা হয়নি ইকরামুল বাশারের। অনেকেই মনে করেন 'ভুল সময়ে' তার আর্বিভাব হয়েছে। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি মোহামেডানের গোলরক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই সময় সাঈদ হাসান কানন ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মে। আবাহনীতে মোহাম্মদ মহসিন। ব্রাদার্সে আতিকুর রহমান—তিনজনের কেউই কারও চেয়ে কম ছিলেন না।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:
একাউন্ট নম্বর: ১০৫১০১০০১৬৬২২
ইস্টার্ন ব্যাংক
নাম: মাহবুবা খান (Mahbuba khan)
/আরআই/এমআর/