আজও দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন হাসানুজ্জামান। ৫৭ বলে ৩ চার ও ৩ ছয়ে তিনি তার ইনিংসটি সাজিয়েছেন।
তবে শনিবারের ওই ম্যাচে ব্যাট হাতে মোহামেডানের বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালিয়ে ২৫ বলে তুলে নেন ৫০ রান। শেষ পর্যন্ত ৫৩ বলে ৯৫ রান করে আউট হন যশোরের এই ক্রিকেটার। ২০১৩ সালে প্রথম বিভাগে ক্রিকেট খেলেন তিনি। সেখানে এক সেঞ্চুরি ও ৩ হাফসেঞ্চুরিতে তার সংগ্রহ ৫৫০ রান।
শনিবার এমন ইনিংসের পর মঙ্গলবারও তার ব্যাটিংয়ে জিতেছে কলাবাগান ক্রীড়া চক্র। যদিও ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছে। ম্যাচের ফল ডি/এল মেথডে নিষ্পত্তি হয়েছে।
বুধবার ম্যাচ শেষে বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে আলাপকালে হাসানুজ্জামান জানান, তার আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতেই পছন্দ। এজন্য মাঠে ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করেন তিনি।
চলতি মৌসুমে কলাবাগান দশটি ম্যাচ খেলেছে। কিন্তু প্রথম ৯টি ম্যাচেই ড্রেসিংরুমে বসে ছিলেন ২৫ বছর বয়সী এই ওপেনার। বসে থাকাটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মাশরাফি ভাই, কোচ আমাকে সব সময় ইতিবাচক থাকতে বলেছেন। তারা আমাকে সব সময়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। তাদের ইতিবাচক কথাগুলো ভালো খেলতে সাহায্য করেছে।’
আগের দিন যেখানে ২৫ বলে ৫০ করেছিলেন হাসানুজ্জামান। মঙ্গলবার সেখানে ৫৭ বলে করলেন ৪৭। আগের চেয়ে কিছুটা স্লো ব্যাটিং-উইকেটে ব্যাটিং করা কি খুব কঠিন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘মিরপুরের উইকেটে ব্যাটিং করাটা একটু কঠিন সব সময়। এর মধ্যে গত কালকের বৃষ্টিতে উইকেটে ব্যাট করাটা আরও কঠিন হয়ে গিয়েছিল। তবে আমি শুরু থেকেই ইতিবাচক ছিলাম। বলের মেধা বুঝে ব্যাটিং করার চেষ্টা করেছি।’
/আরআই/এফআইআর/