১৪ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে তারা। সুপার লিগের পঞ্চম রাউন্ডে রূপগঞ্জের বিপক্ষে জয়ের পাশাপাশি বিকেএসপিতে বিতর্কিত ম্যাচটি যা অনুষ্ঠিত হয়নি। ওই ম্যাচটির রেজাল্ট যদি দোলেশ্বরের পক্ষে আসে তবেই কেবল শিরোপা ছোঁয়া সম্ভব দোলেশ্বরের!
আগে ব্যাটিং করে প্রাইম দোলেশ্বর রকিবুল হাসানের সেঞ্চুরি (১০০) এবং শচীন বেবি (৬৪) ও নাসির হোসেনের (৭৪) হাসফেঞ্চুরিতে ৩৩৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়।
যদিও শুরুতে দোলেশ্বরের ওপেনার ইমতিয়াজ সাজঘড়ে ফিরে যান ব্যক্তিগত ৮ রান করেই। দ্বিতীয় উইকেটে রনি তালুকদারকে সঙ্গে নিয়ে রকিবুল ৭০ রানের জুটি গড়েন। তৃতীয় উইকেটে রকিবুলের সঙ্গে জুটি বাঁধেন শচীন বেবি। সেখানে ১২৪ রানে আসে এই দুইজনের ব্যাট থেকে। রকিবুল হাসান চলতি আসরে প্রথম সেঞ্চুরি করে বিদায় নিলে ফিরে যান ভারতীয় অলরাউন্ডার শচীন বেবিও(৬৪)। এরপর শুরু হয় নাসির শো। ৪২ বলে দ্রুত ৭৪ রানে দোলেশ্বর চলতি মৌসুমের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩৩ রান সংগ্রহ করে।
ভিক্টোরিয়ার বোলারদের মধ্যে কামরুল ইসলাম রাব্বি ও মারজান ভূইয়া সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট নেন।
৩৩৪ রানের বড় লক্ষ্যের বিপরীতে খেলতে নেমে ২৮ বল বাকি থাকতে ২৪২ রানে অলআউট হয়ে যায় ভিক্টোরিয়া। ওপেনিং জুটিতে আসে ৯৯ রান। দুই ওপেনার আব্দুল মজিদ ও জুবায়ের আহমেদ দুইজন ফিফটি করেন। মজিদ ৫০ রান করে ইমতিয়াজ আহমেদের বলে বদলি খেলোয়াড় জাকারিয়া মাসুদের তালুবন্দী হন। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে মুমিনুল হক ও জুবায়ের আহমেদ মিলে ৫০ রানের জুটি গড়েন। জুবায়ের ব্যক্তিগত ৫৬ রান করেই ফিরে যান। মুমিনুল ৫৭ বলে ৬১ রান করে আল আমিনের বলে বোল্ড হন। অবশ্য তখনোই মূলত ম্যাচ হেরে যায় ভিক্টোরিয়া। শেষ দিকে নাদিফ চৌধুরী ও মাহবুবুল আলম কিছুটা চেষ্টা করলেও সেটা যথেষ্ট হয়নি।
দোলেশ্বরের বোলারদের মধ্যে সানজামুল ইসলাম ৪৪ রানে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া আল আমিন হোসেন ও রাহাতুল ফেরদৌস প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।
/আরআই/এফআইআর/