শনিবার মিরপুরে স্টেডিয়ামে তিনি বলেন, ‘কমপক্ষে ১৩ থেকে ১৪ বোলারের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে এবার রিপোর্ট করা হয়েছে। ঈদের পর তাদের বোলিং অ্যাকশন শোধরানোর কাজ শুরু হবে। খালি চোখে ও ক্যামেরাতে তাদের অ্যাকশনে কোনও ত্রুটি পেলে আমরা সেটা নিয়ে কাজ করব। ধারাবাহিকভাবে যদি তাদের অ্যাকশনে কোনও উন্নতি না হয় এবং আবারও তারা সহেন্দের তালিকায় আসে তাহলে এক বছরের জন্যে তাদের নিষিদ্ধ করা হবে।’
জালাল ইউনুসের সঙ্গে সন্দেহভাজন বোলারদের নিয়ে কাজ করবেন প্রাক্তন তিন বোলার দীপু রায় চৌধুরী, ওমর খালেদ রুমী ও গোলাম ফারুক চৌধুরী সুরু। এদিকে টেকনিক্যাল বিষয়গুলো দেখার জন্যে বাইরে থেকে কাউকে নিয়োগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন জালাল ইউনুস।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বোলিং অ্যাকশন রিভিউ নিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা একেবারেই কম। টেকনিক্যাল সাপোর্ট পাওয়ার জন্যে আমরা বাইরে থেকে কাউকে নিয়োগ দেব।’
বিসিবি নিজস্ব খরচে পরীক্ষাগার তৈরি করবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আইসিসির সকল নিয়ম মেনে বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষাগার বা ল্যাব দেওয়া অনেক ব্যয়বহুল। আমরা সর্বনিম্ন খরচ করে কিভাবে সর্বাধিক সুবিধা পাওয়া যায় সেভাবেই কাজ করব। টেকনিক্যাল সাপোর্ট চেয়ে এরই মধ্যে আইসিসিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আশা করছি কার্ডিফ থেকে আমরা অভিজ্ঞ কাউকে নিয়োগ দিতে পারবো।’
/আরআই/এমআর/