টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা ইংল্যান্ডকে ভালো শুরু এনে দিয়েছিলেন দুই ওপেনার জেসন রয় ও জেমস ভিন্স। উদ্বোধনী জুটিতে তারা যোগ করেন ৪১ রান। যদিও শফিউল ইসলামের বলে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। ১৬ রান করা ভিন্সকে ফিরিয়ে প্রথম উইকেট এনে দেন তিনি স্বাগতিকদের। খানিক পরই মাশরাফি বিন মর্তুজা ফেরান আরেক ওপেনার রয়কে (৪১)। বাংলাদেশ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও ভালোভাবে নিজেদের হাতে নেয় কয়েক বল পর সাব্বির রহমানের সরাসরি থ্রোতে জনি বেয়ারস্টো (০) ফিরে গেলে।
৬৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন কঠিন চাপের মধ্যে ইংল্যান্ড। দ্রুত উইকেট হারানোর পথ হারানো ইংলিশ তরীর হাল ধরেন স্টোকস। যোগ্য সঙ্গ পেয়েছেন তিনি অভিষিক্ত বেন ডাকেটের কাছ থেকে। চতুর্থ উইকেটে তারা যোগ করেন ১৫৩ রান। ইংল্যান্ডের রান বাড়িয়ে নেওয়ার সঙ্গে স্টোকস পূরণ করেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিও। যদিও তাতে আছে বাংলাদেশি বোলারদের অবদান! স্টোকসকে যে দুই দুইবার জীবন দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ ও মোশাররফ রুবেল। প্রথমে সহজ ক্যাচ তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হন মাহমুদউল্লাহ। তাসকিন আহমেদের বলে মিডঅনে নিচু ক্যাচ ধরেও ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। কয়েক বল পর আবারও বেঁচে যান স্টোকস মোশাররফ রুবেলের সৌজন্যে। সেঞ্চুরি পূরণ করে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে নেওয়া স্টোকসের উইকেটটি তখন নিতে পারলে নিশ্চিতভাবেই চেপে ধরা যেত ইংলিশদের।
/কেআর/