এদিন লেগ স্পিনার অমিত মিশ্র ছিলেন নিউজিল্যান্ড ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামানোর নায়ক। ছয় ওভারে ১৮ রানে পাঁচ উইকেট নিয়ে তিনি গুড়িয়ে দেন সফরকারীদের সকল প্রত্যাশা। বাম হাতি স্পিনার অক্ষর প্যাটেল নেন ৯ রানে দুই উইকেট।
জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২২ রানে শেষ সাতটি উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। পাঁচজন ব্যাটসম্যান রানের খাতাই খুলতে পারেননি। তবে ওপেনার টম ল্যাথাম ও রস টেলরের দুটি ১৯ রানের ইনিংস ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের ২৭ রান আরও বড় ব্যবধানে হারের লজ্জা থেকে বাঁচায় কিউইদেরকে।
এর আগে সিরিজে রোহিত শর্মার প্রথম অর্ধশতকে ভারত পায় বড় সংগ্রহের ভিত্তি। অপর ওপেনার আজিঙ্কা রাহানে ২০ রানে বিদায় নেওয়ার পর বিরাট কোহলিকে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৭৯ রান যোগ করেন রোহিত শর্মা। রোহিত শর্মার ৭০ রানের মারমুখী ইনিংসে বল ছিল ৬৫টি; ছক্কা তিনটি, বাউন্ডারি পাঁচটি।
কোহলি এরপর জুটি হিসেবে পান অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। চার নম্বরে ব্যাট করা ধোনিকে নিয়ে কোহলি গড়েন ৭১ রানের জুটি। কোহলি দেখেশুনেই খেলছিলেন, ৬৫ রান করার পর ইশান্দার সোধির বলে মার্টিন গাপটিলের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ৭৬ বল, ২টি চার ও একটি ছক্কার ইনিংসটি প্রমাণ করে মারমুখী নয় বরং ধীর স্থির ছিল কোহলির ব্যাট।
মহেন্দ্র সিং ধোনিও অনুসরণ করেন কোহলিকে। মেরে খেলার ঝুঁকি না নিয়ে সিঙ্গলসের ওপরই নজর দেন তিনি। ৫৯ বলে চারটি চার ও একটি ছক্কায় ৪১ রানে বিদায় নেন ভারতীয় অধিনায়ক। এরপর স্লগওভারে রানের গতি বাড়ানোর উদ্যোগ নেন কেদার যাদব ও অক্ষর প্যাটেল। ৩৭ বলে দুটি চার একটি ছক্কায় ৩৯ রান করেন কেদার যাদব, ১৮ বলে ১টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৪ রান করেন অক্ষর।
পেসার ট্রেন্ট বোল্ট ৫২ রানে দুটি ও স্পিনার ইশান্দার সোধি ৬৬ রানে দুটি উইকেট নেন।
/আরএম/