আজ রবিবার ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘কি হলো ইংল্যান্ডের তা বর্ণনা করা কঠিন। ভাবতেই অবাক লাগে হঠাৎ করে কেমন করে পাল্টে গেল চিত্রটা। সম্ভবত স্পিনের বিপক্ষে আমাদের অনভিজ্ঞতা ফুটে উঠেছে। চা বিরতির আগে ও পরে পিচে ব্যাপক পার্থক্য ছিল। ৩০-৪০ মিনিট ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আমরা সেই চাপ সামলাতে পারিনি।’
হারটা মেনে নেওয়া কঠিনই কুকের জন্য, ‘এ পরাজয় মেনে নেয়া কঠিন এবং ভারত সফরের আগে আমাদের খুব তাড়াতাড়ি অনেক কিছু গুছিয়ে নিতে হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজের জন্য বাংলাদেশ সব কৃতিত্ব পাওয়ার যোগ্য এবং এখানে ইংল্যান্ডকে নেতৃত্ব দিতে পেরে আমি গর্বিত।’
কুকের মতে আগাগোড়াই কঠিন ছিল সফরটি, ‘আমি এর আগেও এমন প্রতিকূল অবস্থায় পড়েছি, আমার কাছে মনে হয়েছিল ২৭৯ তাড়া করা সম্ভব। বাংলাদেশ ৩০-৪০ রান বেশি করেছে, আমরাও বেশ কয়েকটি ক্যাচ ফেলে দিয়েছি। স্পিন সহায়ক উইকেট, এখানে কিভাবে খেলতে হয়, সেটা জানা খেলোয়াড় নিয়ে বাংলাদেশ ছিল ভালো অবস্থানে। ১৯ উইকেট নেওয়া মিরাজও এ কন্ডিশনে খেলতে অভ্যস্থ। সব দিক মিলিয়ে কঠিন সময় গেছে আমাদের।’
স্পিনাররাই ব্যবধান গড়ে দিয়েছে বলে মনে করেন কুক, ‘বাংলাদেশের স্পিনাররা অবশ্যই আমাদের চেয়ে ভালো। আমাদের বিশ্বমানের কোনও স্পিনার নেই। বাংলাদেশ গত কয়েক বছরে ব্যাপক উন্নতি করেছে। শেষবার যখন আমরা এখানে খেলি তখন উইকেট ফ্ল্যাট। এবারের উইকেট ছিল ভিন্ন, স্পিন সহায়ক।’ সঙ্গে যোগ করলেন, ‘স্পিন সহায়ক উইকেটে ফুটওয়ার্ক ও বলের গতিবিধি যথাযথভাবে বিচার করার ওপরই নির্ভর করে সব। আগামী এক সপ্তাহে আমাদের কঠিন পরিশ্রম করতে হবে। আর সব মিলিয়ে আমাদের থাকতে হবে ঐক্যবদ্ধ, কারণ আমরা এখন অন্য দেশে অন্য কন্ডিশনে আছি।’
/আরএম/কেআর/