এমন অর্জনের পর স্বাভাবিকভাবেই আনন্দ ছুঁয়ে যাচ্ছে মিরাজকে। তবে তার আনন্দের মাত্রা বেড়েছে বাংলাদেশ জিতেছে বলে। সংবাদ সম্মেলনে এসে এমনটাই জানালেন তরুণ এই অলরাউন্ডার, ‘আসলে আমরা জিতেছি, সবচেয়ে বড় কথা বাংলাদেশ জিতেছে। এটাই আসলে বড় পাওয়া।’
মিরাজ আরও বেশি রোমাঞ্চিত সাকিব-তামিম-মুশফিকদের সঙ্গে খেলতে পেরে, ‘আমি যাদের খেলা এতদিন টিভিতে দেখেছি, তাদের সঙ্গে খেলতে পেরে আরও বেশি রোমাঞ্চিত। আসলে আমি নিজেও ভাবতে পারছি না যে, আমি জাতীয় দলে খেলছি বা বড় ভাইদের সঙ্গে খেলছি। মুশফিক ভাই, তামিম ভাই, সাকিব ভাই, রিয়াদ ভাইয়ের সঙ্গে খেলছি। সত্যি বলতে আমি খুব রোমাঞ্চিত।’
এমন জয়ের পরে ড্রেসিংরুমের আবহটাও উপভোগ করেছেন মিরাজ। এত ভালো লাগা তার কোনও দিন আর লাগেনি। সেই সঙ্গে সিনিয়র ক্রিকেটারদের সমর্থন ও সহযোগিতার কথাও স্বীকার করলেন মিরাজ, ‘জিতলে সবার ভালো লাগে। সবাই অনেক আনন্দ করেছি।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘সিনিয়ররা সবাই আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন। আমি যে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে খেলছি, এটা কখনও মনেই হয়নি। আমার মনে হয়েছে আমি অনেক দিন থেকেই জাতীয় দলে খেলছি। আমার এক মুহূর্তের জন্য মনে হয়নি আমি জাতীয় দলে নতুন ঢুকেছি।’
নিজের প্রস্তুতি সম্পর্কে মিরাজ বলেছেন, ‘আসলে আমি সব সময় মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম। নিজেকে সব সময় প্রস্তুত রেখেছিলাম। যখন আমি সুযোগ পাবো, সুযোগগুলো যেন কাজে লাগাতে পারি। আমি চিন্তা করেছি আমাকে যখনই ডাকবে, আমি যেন ভালো খেলতে পারি।’
গত যুব বিশ্বকাপের পর থেকেই মিরাজকে নিয়ে আলোচনা। মিরাজ অবশ্য এত তাড়াতাড়ি সুযোগ নিয়ে চিন্তা করেননি, ‘আসলে ওই রকম কখনও চিন্তা করিনি। আমার লক্ষ্য ছিল প্রস্তুতি ভালো নেওয়া। যখনই ডাকুক, এই সিরিজে হোক কিংবা পরের সিরিজে, এক বছর কিংবা দুই বছর পরে হোক, মানসিকভাবে শক্তশালী থেকে জাতীয় দলে শুরু করব।’
/আরআই/কেআর/