ওয়েস্ট ইন্ডিজের পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে ইনিংস শুরু করে শেষটা করেছেন অপরাজিত থেকে। ক্রিকেটীয় ভাষায় যাকে বলে ‘ব্যাট ক্যারি’ করা। তার আগে ক্যারিবিয়ান হিসেবে এই কীর্তি গড়েছিলেন ফ্রাঙ্ক ওরেল, কনর্যাড হান্টে, ডেসমন্ড হেইন্স ও ক্রিস গেইল। ব্র্যাথওয়েট ইনিংস শেষ করেছেন ১৪২ রানে অপরাজিত থেকে। তার ব্যাটিং কীর্তির পর বল হাতে পাকিস্তানের ওপর দিয়ে ঝড় তুলেছিল ক্যারিবিয়ান বোলাররা। আসলে বলতে হবে অধিনায়ক জেসন হোল্ডারের তাণ্ডবে খেই হারিয়ে ফেলেছে মিসবাহরা। তিনি একাই তো নিয়েছেন ৩ উইকেট।
পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুটা কিন্তু মন্দ ছিল না। উদ্বোধনী জুটিতে ৩৭ রান যোগ করে কার্যকরী শুরু এনে দিয়েছিলেন সামি আসলাম-আজহার আলী। যদিও আসলাম (১৭) আউট হয়ে যাওয়ার পর এলোমেলো হয়ে যায় সব। পাকিস্তানি ওপেনারকে ফেরানো হোল্ডার এক ওভারের ব্যবধানে আরও দুটি উইকেট তুলে নিলে কঠিন চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। প্রথমে আসাদ শফিককে (০) ক্যাচ বানান ড্যারেন ব্র্যাভোর হাতে, এর পর রানের খাতা খুলতে দেননি ইউনিস খানকেও। অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যানকে ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক ফিরিয়েছেন উইকেটরক্ষক শেন ডরউইচের গ্ল্যাভসবন্দি করে। ওই ধাক্কা সামলানোর জন্য মাঠে নামা মিসবাহ আরও চাপ বাড়িয়ে যান মাত্র ৪ রান করে ফিরে গেলে। তার উইকেটটি নিয়েছেন রোস্টন চেস। সতীর্থদের আসা-যাওয়া অন্য প্রান্ত থেকে দেখা ওপেনার আজহার আলী (৪৫*) দিনের বাকিটা পার করে দিয়েছেন সরফরাজ আহমেদকে (১৯*) সঙ্গে নিয়ে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
পাকিস্তান : ২৮১ ও দ্বিতীয় ইনিংস (তৃতীয় দিন শেষে) ৮৭/৪ (আজহার ৪৫*, সরফরাজ ১৯*, আসলাম ১৭; হোল্ডার ৩/১০)।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ : প্রথম ইনিংস ৩৩৭ (ব্র্যাথওয়েট ১৪২*, চেস ৫০, ডরউইচ ৪৭, বিশু ২৭; ওয়াহাব ৫/৮৮, আমির ৩/৭১)।
/কেআর/