এলগার-দুমিনির শতকে দুর্দান্ত দক্ষিণ আফ্রিকা

ডুমিনি ও এলগারের ব্যাটে এসেছে শতকএখনও শেষ হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংস, হাতে আছে আরও ৪ উইকেট। আর অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে তারা পার্থ টেস্টে এগিয়ে ৩৮৮ রানে। এখন জয়ের জন্য রোববার চতুর্থ দিন সকালেই লক্ষ্য ছুঁড়ে দিতে পারে প্রোটিয়ারা।। কারণ ওয়াকার গ্রাউন্ডে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এত বড় টার্গেট ছোঁয়া দূরের কথা, কখনও প্রোটিয়াদের হারাতে পারেনি অজিরা। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে শুধু একবার চতুর্থ ইনিংসে চার’শ রানের টার্গেট পেয়ে সফল হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া, সেটাও ১৯৪৮ সালের ঘটনা। ডন ব্রাডম্যান ও আর্থার মরিসের সেঞ্চুরিতে ৪০৪ রানের লক্ষ্যে তারা সফল হয়েছিল লিডস টেস্টে। এখন একটা বিষয় আশা জাগাতে পারে, কারও ওপর যদি ব্রাডম্যান ভর করে! কিন্তু ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি তো সবসময় হয় না।
দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোরবোর্ডে বিশাল রান জমা করতে বড় বেশি অবদান ডিন এলগার ও জেপি দুমিনির। তৃতীয় উইকেটে তাদের জুটি ২৫০ রানের। পার্থের ভ্যাপসা গরমের মধ্যে এলগার ও দুমিনি শতক মারেন। চা বিরতির আগে অস্ট্রেলিয়া দুই সেশন খেলেও ছিল উইকেটশূন্য। দুমিনি যতটা ছিলেন আগ্রাসী, সমানভাবে ব্যাটিং করেছেন এলগার। ২০ চার ও ১ ছয়ে সাজানো দুমিনির ২২৫ বলে গড়া ১৪১ রানের ইনিংস। ৩১৬ বল খেলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১২৭ রান করেন এলগার, ১৭ চার ও ১ ছয় তার বাউন্ডারির ঝুলিতে। দলের ২৯৫ ও ৩২৪ রানে পর্যায়ক্রমে দুমিনি ও এলগার সাজঘরে গেলে বড় কোনো ইনিংস আর আসেনি। অধিনায়ক ফাফ দু প্লেসিস ৩২ রান করেন। কুইন্টন ডি কক ১৬ রানে ও ২৩ রানে অপরাজিত আছেন ভারনন ফিল্যান্দার।  দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা তৃতীয় দিন শেষ করেছে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ৩৯০ রানে। ক্রিকইনফো

সংক্ষিপ্ত স্কোর: (তৃতীয় দিন শেষে)

দক্ষিণ আফ্রিকা: প্রথম ইনিংস- ২৪২ ও দ্বিতীয় ইনিংস- ৩৯০/৬; ১২৬ ওভারে (এলগার ১২৭, দুমিনি ১৪১; হ্যাজলউড ২/৯৭, সিডল ২/৪৭); ৩৮৮ রানে এগিয়ে।

অস্ট্রেলিয়া: প্রথম ইনিংস- ২৪৪    

/এফএইচএম/