রংপুরের লক্ষ্য ১২৫

ANAMUL---------------------------------------00বিপিএল-এ বুধবার দিনের দ্বিতীয় খেলায় চিটাগং ভাইকিংসকে ১২৪ রানে অলআউট করেছে প্রথম ম্যাচ খেলা রংপুর রাইডার্স। টস জিতে বল হাতে তুলে নেওয়া রংপুরের উদ্দেশ্য সফলই হয়, কারণ শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন আপের চট্টগ্রামকে কম রানে বেঁধে ফেলে তারা স্বস্তি নিয়েই সাজঘরে ফেরে। 

চিটাগং ভাইকিংসের আক্রমনাত্মক সূচনার রাশ টেনে ধরেন অফস্পিনার সোহাগ গাজী। মাত্র হাত খুলতে শুরু করেছিলেন তামিম ও ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ডোয়েইন স্মিথ। নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় ওভারের পঞ্চম ও শেষ বলে তিনি ফিরিয়ে দেন তামিম ও স্মিথকে। ব্যাক ফুটে কাট করতে গিয়ে নিচু হয়ে আসা বলে বোলাড হন তামিম আর একটি ছক্কা মারার পর আরেকটি হাঁকাতে গিয়ে লং অনে ধরা পড়েন স্মিথ। তামিম ১১ ও স্মিথ ১০ রানে বিদায় নেন।

এরপর এনামুল হক বিজয় ও শোয়েব মালিকের কাঁধে এসে পড়ে দলকে স্থিতিশীল করার দায়িত্ব। দারুণ ফর্মে ছিলেন বিজয়, ইংলিশ পেসার রিচার্ড গ্লিসনের চারটি লেগ স্টাম্পে পিচ করা বলকে টানা চারবার সীমানার বাইরে পাঠান তিনি। তবে দুর্ভাগ্যের শিকার হয়ে বিদায় নেন বিজয়। শোয়েব মালিকের একটি স্ট্রেট ড্রাইভ বোলার লিয়াম ডসনের হাত ফসকে আঘাত হানে নন স্ট্রাইকিং উইকেটে। ১৬ বলে ২৫ রান ছিল বিজয়ের সংগ্রহ।

এই ইনিংসে স্পিনারদের ওপরই বেশি আস্থাশীল ছিলেন রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক নাইম ইসলাম। চার স্পিনার সোহাগ গাজী, আরাফাত সানি, লিয়াম ডসন ও শহীদ আফ্রিদিকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করে তিনি আটকে রাখেন চট্টগ্রামের দলটিকে। আরাফাত সানি জহরুল ইসলামকে তিন রানে ও রুবেল হোসেন মো. নবিকে পাঁচ রানে বিদায় দিলে চট্টগ্রামের বড় সংগ্রহের প্রত্যাশা ধাক্কা খায়। এর মাঝে শোয়েব মালিক ৩০ রানে রান আউট হলে এটি নিশ্চিত হয়ে যায় যে চট্টগ্রামের সংগ্রহটা খুব বেশি বড় হবে না।

এরপর থেকে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়েই পথ চলে চট্টগ্রাম, নাজমুল হোসেন মিলনের ১১, আব্দুর রাজ্জাকের ৪ ও টাইমাল মিলসের ৫ রানে ১২৪ রানে ইনিংস শেষ করে চিটাগং ভাইকিংস।

রংপুর রাইডার্সের ছয় বোলারের মাঝে লিয়ম ডসন ছাড়া সবাই উইকেট পেয়েছেন। শেষ দিকে পেসার রিচার্ড গ্লিসন দুটি উইকেট নেন ৩০ রানে, সোহাগ গাজী দুটি উইকেট নিয়েছেন ১৮ রানে। আর আরাফাত সানি, শহীদ আফ্রিদি ও রুবেল হোসেন নিয়েছেন একটি করে উইকেট।

 

/আরএম/এফআইআর/