অজিদের নির্বাচক প্যানেলে গ্রেগ চ্যাপেল

অজিদের নির্বাচক প্যানেলে গ্রেগ চ্যাপেল দক্ষিণ আফ্রিকাসহ সাম্প্রতিক সময়ে অস্ট্রেলিয়ার ভরাডুবি পর গুঞ্জন হচ্ছিল। হয়তো বড় ধরনের রদবদলই হবে অজিদের ক্রিকেটে। যার প্রমাণ ইতোমধ্যে দিয়ে দিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। রড মার্শ প্রধান নির্বাচকের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর এবার সেই পদে বসানো হয়েছে ওই প্যানেলেরই আরেক সদস্য ট্রেভর হনসকে। সঙ্গে এই প্যানেলে নতুন যুক্ত হয়েছেন সাবেক অস্ট্রেলীয় তারকা গ্রেগ চ্যাপেল। রদবদল হলেও আপাতত সাময়িক সময়ের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন দুই জন। ‍

হনস এই প্যানেলে কাজ করছেন ২০১৪ সাল থেকে। এর আগেও প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করেছেন ১০ বছর।

একইভাবে চ্যাপেল নির্বাচক ছিলেন ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত। এরপর ২০১০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত পুনরায় দায়িত্ব পালন করেন। এরপর অবশ্য ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

আপাতত ঠেকার কাজ চালালেও দীর্ঘ মেয়াদে নতুন প্রধান নির্বাচক খুঁজছে অস্ট্রেলিয়া। এখন পর্যন্ত এ নিয়ে দিনক্ষণ স্থায়ী হয়নি। অবশ্য পদত্যাগ করা রড মার্শের এই দায়িত্বে থাকার কথা ছিল আগামী জুন পর্যন্ত।    

অবশ্য ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার এমন অস্থিরতা শুরু হয় টানা ব্যর্থতা ও সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ইনিংস ও ৮০ রানে হেরে। এরপর বেশ চাপের মুখেই পড়েন অজি নির্বাচকরা। শোনা যাচ্ছিল, শুধু কোচ নন, নির্বাচকসহ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে বাদ দেবে অস্ট্রেলিয়ার টিম ম্যানেজমেন্ট। আর এর মাঝেই প্রধান নির্বাচকের পদ থেকে সরে দাঁড়ান রড মার্শ। এই পদত্যাগের কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে রড মার্শ জানিয়েছিলেন, কোনও চাপের মুখে এমনটি করেননি। দায়িত্ববোধ থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন মার্শ।

সাম্প্রতিক সময়ে হতাশাজনক পারফরম্যান্স থাকলেও ২০১১ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পরই হোম সিরিজে ভারতকে হারায় অজিরা। এমনকি নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজসহ ঘরের মাঠে বিশ্বকাপও জেতে অস্ট্রেলিয়া।  যদিও এরপরেই দুর্দিন নেমে আসে। পাকিস্তান, ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাজে ভাবে হেরে সমালোচনার মুখে পড়ে টিম অস্ট্রেলিয়াসহ ম্যানেজমেন্ট।

/এফআইআর/