অভিষিক্ত ডি গ্র্যান্ডহোমের রেকর্ডে বিধ্বস্ত পাকিস্তান

ডি গ্র্যান্ডহোমের ৪১ রানে ৬ উইকেটবয়স পেরিয়ে গেছে ৩০। এক ওয়ানডের সঙ্গে চারটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেললেও উইকেটের ঘরটা ফাঁকাই ছিল কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের। ২০১২ সালে নিউজিল্যান্ডের হয়ে সবশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা এই অলরাউন্ডারের টেস্ট দলে সুযোগ পাওয়াটা তাই বড় চমকই ছিল ক্রিকেট বিশ্বের জন্য। শুধু স্কোয়াডে নয়, পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের একাদশেও জায়গা পেয়ে যান তিনি। নির্বাচকদের আস্থার জবাবটা কী চমৎকারভাবেই না দিলেন ডি গ্র্যান্ডহোম। অভিষেক টেস্টে নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড গড়ে গুড়িয়ে দিলেন পাকিস্তানকে। ৪১ রান খরচায় তার ৬ উইকেটেই পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে অলআউট হয়েছে মাত্র ১৩৩ রানে। জবাবে স্বাগতিকরা দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে ৩ উইকেটে ১০৪ রানে।

ক্রাইস্টচার্চ টেস্টের প্রথম দিন ছিল বৃষ্টির দাপট। আর দ্বিতীয় দিনে দাপট দেখালেন অভিষিক্ত ডি গ্র্যান্ডহোম। ৬৫ বছর আগের রেকর্ড ভেঙে নিজেকে নিয়ে গেলেন অনন্য উচ্চতায়। নিউজিল্যান্ডের মাত্র সাত বোলারের কীর্তি আছে অভিষেকে পাঁচ কিংবা তার বেশি উইকেট শিকারের। শেষবার যেটা দেখিয়েছিলেন টিম সাউদি, ৫৫ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি অভিষেক টেস্টে। তবে অভিষিক টেস্টে সবচেয়ে ভালো বোলিং ফিগারটা ছিল অ্যালেক্স মোইরের, ৬৫ বছর আগে তিনি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৫৫ রানে শিকার করেছিলেন ৬ উইকেট। ক্রাইস্টচার্চ টেস্ট দিয়ে সেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন ডি গ্র্যান্ডহোম। এবার তিনি ৪১ রান খরচায় নিলেন ৬ উইকেট।

ডি গ্র্যান্ডহোমের উইকেট উৎসবের শুরুটা আজহার আলীকে (১৫) দিয়ে। পাকিস্তান ওপেনারকে বোল্ড করে ফেরান প্যাভিলিয়নে। এর পর একে একে আউট করেছেন বাবর আজম (৭), ইউনিস খান (২), আসাদ শফিক (১৬), সোহেল খান (৯) ও রাহাত আলীকে (০)। পাকিস্তানের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩১ রান করেছেন অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হক।

তার দাপটের পর ব্যাট হাতে অবশ্য শুরুটা ভালো ছিল না নিউজিল্যান্ডের। মাত্র ৬ রানে তারা হারায় টম ল্যাথামের (১) উইকেটটি। এর পর কেন উইলিয়ামসন (৪) ও রস টেলর (১১) দ্রুত ফিরে গেলে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। সেই চাপ কাটিয়ে দিন শেষ করেছেন হাফসেঞ্চুরি পূরণ করা জিত রাভাল (৫৫*) ও হেনরি নিকোলস (২৯)। ক্রিকইনফো

/কেআর/