বরিশালের হারে টপ অর্ডারকে দায়ী করলেন মুশফিক

Mushfiq-gave-advise-to-Abu-Hider-Rony.৬ ম্যাচে তৃতীয় বারের মতো হার দেখলো বরিশাল বুলস। চট্টগ্রামে গিয়ে এখনো ভাগ্য খুলতে পারছে না তারা।  পরপর দুই ম্যাচে হেরেছে মুশফিকের দল।  সর্বশেষ রবিবার তারা খুলনা টাইটানসের বিপক্ষেও হার মানে। এমন হারে টপ অর্ডারের ব্যর্থতাকেই দায়ী করলেন মুশফিক।

পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে মুশফিক বলেছেন, ‘টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা ভালো ব্যাটিং করতে পারেনি। তাই আমরা ওখানেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যাই।’

মুশফিকের কথার সত্যতা স্কোর বোর্ডের দিকে তাকালেই নিশ্চিত হওয়া যাবে। ৪.৪ ওভার থেকে শুরু করে ১০.৬ ওভারে কোনও বাউন্ডারি পায়নি বরিশাল। ওই সময় ক্রিজে ছিলেন টপ অর্ডারের দুই ব্যাটসম্যান শাহরিয়ার নাফিস ও শামসুর রহমান শুভ।

ওই সময়টা কাজে না লাগানোতে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন মুশফিক, ‘১৫২ রান চেজ করা সম্ভব। টি-টোয়েন্টিতে এক ওভারেই খেলা পরিবর্তন করে দেয়। আমরা মাঝের ৫-৬ ওভার কোনও বাউন্ডারি পাইনি। এগুলো আমাদের ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছে। আশা করি পরের ম্যাচে ফিরে আসতে পারব।’

বোলারদের প্রশংসা করে মুশফিক বলেছেন, ‘আগে বোলিং করে ১৫১ রানে আটকে দেওয়া কৃতিত্বের ব্যাপার। তাইজুল ভালো করেছে, এমরিট ভালো করেছে। এটা চেজ করার জন্য ভালো স্কোর ছিল।’

ব্যাটসম্যানদের দায় দিলেও প্রতিপক্ষের পেসারদের প্রশংসা করতে ভুল করেননি মুশফিক, ‘জুনায়েদ, কুপার, শফিউল অসাধারণ বোলিং করেছে।’

কুপারের মতো শিশির নিয়েও মন্তব্য করলেন মুশফিক। তার মতে শিশিরের কারণে চট্টগ্রামে দিনের শেষ ম্যাচটা খেলা খুব কঠিন, ‘চট্টগ্রামে শেষ ম্যাচটা খেলা খুব কঠিন। এখানে অনেক শিশির পড়ছে। স্পিনারদের জন্য তাই কাজটা করা খুব কঠিন হচ্ছে। বল বেশি ভেজা থাকায় ব্যাটসম্যানদের খেলতেও সমস্যা হচ্ছে। তবে কোনও অজুহাত দাঁড় করাতে চাই না। খুলনা ভালো খেলেই জয়লাভ করেছে।’

চট্টগ্রামে টানা দুই ম্যাচ জিতলেও ফিরে আসার ব্যাপারে আশাবাদী মুশফিক। মঙ্গলবার স্বাগতিক চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে লড়বে মুশফিকের বরিশাল বুলস, ‘আশা করছি, ভুলগুলো শুধরে পরের ম্যাচে ফিরে আসতে পারব।’

/আরআই/