দেশবাসীর ভালো না লাগার সঙ্গে হতাশা-কষ্ট-ক্রোধ আছে। খেলোয়াড়দের ভালো না লাগার সঙ্গে লজ্জা, হতাশার সঙ্গে আছে পরের ম্যাচে ভালো কিছু করার প্রত্যয়। বুধবার বাংলাদেশ দল নেপিয়ার থেকে তাওরাঙ্গা রওয়ানার আগে এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেছে মিডিয়ার মাধ্যমে। দলের পক্ষে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেন নেপিয়ায়ের ম্যাকলিন পার্কের ম্যাচের একাকি সৈনিক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দল পৌঁছে গেছে বিকালে তাওরাঙ্গায়। এখানকার ট্রিনিটি রাফ হোটেলে উঠেছে টিম বাংলাদেশ। এখান থেকে মাউন্ট মাঙ্গানুইয়ের বে ওভাল পার্কে এই ক’দিন তাদের যাওয়া আসা চলবে। এই মাঠেই হবে পরবর্তী দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। বাংলাদেশের মান-ইজ্জত রক্ষার বাঁচ-মরার লড়াই।
ওয়ানডেতে নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন রিয়াদ। এ প্রসঙ্গে রিয়াদের ব্যাখ্যা, ‘ওয়ানডে সিরিজে আমি ভালো করতে পারিনি। এ নিয়ে মনটা খুব খারাপ ছিল। নেপিয়ারে সুযোগ পেয়ে কাজ লাগানোর চেষ্টা করেছি। এরজন্যে মন এখন ভালো।’
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে জয়ের সুযোগ ছিল বলেই মনে করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ‘নেপিয়ারের ম্যাকলিন পার্কের উইকেটটি ব্যাটিং উইকেট ছিল। কিউই বোলারদের আক্রমণে পেস তেমন ছিল না। তবে নতুন বলে বাউন্স ছিল বেশ। বল পুরনো হওয়ার পর থেকে তা ব্যাটসম্যানদের ফেভারে আসে। মঙ্গলবার বোলিং’এ আমাদের একটা সুযোগ এসেছিল। কিন্তু সে সুযোগটি আমরা কাজে লাগাতে পারিনি।’
নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশন বাংলাদেশকে ভোগালেও নিজেদের উন্নতি দেখছেন মাহমুদউল্লাহ, ‘নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশন আমাদের জন্য বেশ কঠিন। কিন্তু এরপরও দেখা যাচ্ছে প্রতিটি ম্যাচে আমরা এক পর্যায়ে তাদের খুব কাছাকাছি চলে যাচ্ছি। এরপরও শেষ পর্যন্ত সুযোগকে কাজে লাগাতে পারছি না। এ অবস্থা আমাদের জয় করতেই হবে।’
বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত পরপর চারটি ম্যাচ হেরেছে। এ অবস্থায় এখানে আর কি কোনও ম্যাচ জেতার সম্ভাবনা আছে? প্রশ্নটি শেষ হতে পারেনি। আত্মবিশ্বাসী রিয়াদ বলতে শুরু করেন, ‘অবশ্যই জয়ের সম্ভাবনা আছে। গত চার ম্যাচে যে সব ছোট ছোট ভুল আমরা করেছি। সেগুলো শুধরে নিয়ে খেললে আমরা জিততে পারবোই।’
কিন্তু এক্ষেত্রে দলগতভাবে ভালো খেলার ওপর গুরুত্ব দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
/এফআইআর/