অধিনায়কত্বের সঙ্গে টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন তিনি আগেই। মহেন্দ্র সিং ধোনি অবশ্য চালিয়ে যাচ্ছিলেন ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট। একই সঙ্গে ভারতের সীমিত ওভার ক্রিকেটের অধিনায়কের দায়িত্বও ছিল তার কাঁধে। এবার থেকে সেই পদেও আর দেখা যাবে না এই উইকেটরক্ষককে। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির অধিনায়কের পদ থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন ধোনি।
নেতৃত্ব ছাড়লেও ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলা চালিয়ে যাবেন ধোনি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের স্কোয়াডে থাকা ধোনি এখন তাই বিবেচিত হবেন শুধুমাত্র উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে। বুধবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তার অধিনায়কত্ব ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। যদিও তার জায়গায় ভারতের নেতৃত্ব কে দেবেন, সেটা এখনও ঠিক করেনি বিসিসিআই। তবে বিরাট কোহলিই যে ধোনির উত্তরসূরি হতে যাচ্ছেন, সেটা নিশ্চিতই হয়ে আছে একরকম।
ধোনির হাত ধরেই ২০১১ সালে ভারত জেতে তাদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। তার অধীনে ক্রিকেট বিশ্বের শক্তিধর দলে রূপ নেওয়া ভারত ওয়ানডেতে হয়ে উঠেছিল অপ্রতিরোধ্য। অধিনায়ক হিসেবে দুর্দান্ত সব মুহূর্তের জন্ম দেওয়া ধোনিকে তাই প্রশংসায় ভাসাতে ভুল করেননি বিসিসিআইয়ের প্রধান নির্বাহী রাহুল জোহরি, ‘ভারতের প্রত্যেক ক্রিকেট ভক্ত ও বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে আমি ধন্যবাদ দিতে চাই মহেন্দ্র সিং ধোনিকে, অধিনায়ক হিসেবে সব ফরম্যাটে তার অংশগ্রহণ ছিল দুর্দান্ত। তার অধীনে ভারতীয় দল উঠেছে অনন্য উঁচুতে।’
২০১৪ সালের ডিসেম্বরে মেলবোর্ন টেস্টে অধিনায়কের সঙ্গে পাঁচ দিনের ক্রিকেটকেও বিদায় বলে দেন ধোনি। অবশ্য সীমিত ওভারের অধিনায়কত্ব চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। এবার ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিকে বিদায় বললেও ‘ক্যাপ্টেন কুল’ চালিয়ে যাবেন খেলা।
/কেআর/