ইতোমধ্যে খেলার জন্য আফগানিস্তান, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে জিম্বাবুয়ে। যদিও এমনটি করার পেছনে লক্ষ্য হিসেবে কাজ করছে ২০১৯ বিশ্বকাপের বাছাই। তাই এই ফাঁকা সময়টাতে শীর্ষ পর্যায়ের সহযোগী দেশগুলোর সঙ্গে ক্রিকেট খেলে ক্রিকেটারদের ঝালাই করে নিতে চাইছে দেশটি।
যদিও ঘরোয়া ক্রিকেটে খুব বেশি সুখে নেই জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট বোর্ড। পাওনা পরিশোধ নিয়ে ঝামেলা লেগেই রয়েছে ঘরোয়া ক্রিকেটে। তাই বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দল প্রস্তুত করতে অনেক হিমশিম খেতে হচ্ছে সদ্য নিয়োগ পাওয়া কোচ হিথ স্ট্রিককে।
এমন অবস্থায় জিম্বাবুয়ের নির্বাচকদের আহবায়ক, সাবেক অধিনায়ক ও টাটেন্ডা টাইবুকে সঙ্গে নিয়ে নতুন কৌশল নিয়ে এগোচ্ছেন স্ট্রিক। তারা বলেছেন, ‘কোনও ক্রিকেট না খেলার চেয়ে একটু ক্রিকেট অনেক বেশি উপকারী।’ এই বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়েই সহযোগীদের সঙ্গে খেলতে পরিকল্পনা করেছে জিম্বাবুয়ে।
ইতোমধ্যেই তাদের পরিকল্পনায় সাড়া দিয়েছে আফগানিস্তান। ফেব্রুয়ারিতে সফর করতে রাজি রয়েছে তারা।
উল্লেখ্য, ২০১৯ বিশ্বকাপ থেকে ১৬ দলের জায়গায় টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে ১০টি দল নিয়ে। শীর্ষ ৮টি দল স্বনিয়ন্ত্রিতভাবে চূড়ান্ত পর্বে খেলার সুযোগ পেলেও বাকিদের বাছাই খেলে টুর্নামেন্টে স্থান পেতে হবে।
এই অবস্থায় সংখ্যা কমে যাওয়ায় পূর্ণসদস্য দেশগুলোর বিপক্ষে বেশি বেশি ক্রিকেট খেলতে জোর দাবি জানিয়ে আসছিল সহযোগী দেশগুলো। গত বছর একই দাবি করেছিলেন স্কটল্যান্ড অধিনায়ক প্রেস্টন মমসেন।
/এফআইআর/