ওয়েলিংটন টেস্টে মুশফিক-তামিমকে টপকে বাংলাদেশের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছেন সাকিব। খেলেছেন ২১৭ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস। প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি ছোঁয়ার পর মঙ্গলবার সর্বশেষ প্রকাশিক র্যাংকিংয়ে নিজেকে ক্যারিয়ারসেরা ব্যাটিং র্যাংকিংয়ে (২২ নম্বরে) উঠিয়ে এনেছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার।
এর পরও তার পারফরম্যান্সে খুশি নন বিসিবি সভাপতি! সীমিত ওভারের ক্রিকেটে হারের কারণ হিসেবে তার দিকে আঙুলই তুলেছেন পাপন। সাকিবের ক্যারিয়ারসেরা ডাবল সেঞ্চুরিকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি, ‘ওই ২০০ রান (ওয়েলিংটন টেস্টে করা ২১৭) এক ইনিংসে না করে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডেতে ৩০ রান করে করলেও আমরা কয়েকটি ম্যাচ জিততে পারতাম। আমাদের যখন দরকার তখন সাকিব রান করতে পারেনি।’ পাপন জয়ের সমীকরণটাও মিলিয়ে দিলেন সাকিবের ডাবল সেঞ্চুরির ইনিংস দিয়ে, তার ব্যাখ্যাটা এমন, ‘টেস্টের ওই ২০০ রান একেবারে না করে ১৫০ করে পরের ইনিংসে ৫০ করলেও তো টেস্টটা (ওয়েলিংটন টেস্ট) আমরা বাঁচাতে পারতাম। তাহলে কিন্তু দলের জন্য লাভ হতো। আমাদের যখন যেটা দরকার, সেটা করতে পারছে না দলের সিনিয়র খেলোয়াড়রা। খেলোয়াড়দের মনসংযোগ বাড়াতে হবে। বুঝতে হবে দলে চাহিদা কখন কি।’
পাপন যতই ব্যর্থতার গুলি উড়িয়ে মারুন না কেন, সাকিবের পরিসংখ্যান কিন্তু তা বলছে না মোটেও। নিউজিল্যান্ড সফরের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে মুশফিকের সঙ্গে তার (৩৫৯ রান) গড়া রেকর্ড জুটিতেই তো ৫৯৫ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল বাংলাদেশ। সবমিলিয়ে ৭১ গড়ে ২৮৪ রান করে সাকিব টেস্ট সিরিজে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকও। বাংলাদেশের সেরা সংগ্রাহক অবার তিনিই। শুধু তা-ই নয়, ৬ উইকেট নিয়ে টাইগারদের সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারি বোলারও তিনি। সীমিত ওভার ফরম্যাটের ম্যাচগুলোতে ওয়ানডে সিরিজে ৫ উইকেট নিয়ে শীর্ষ বোলার ছিলেন তিনি। যদিও ব্যাট হাতে ব্যর্থ ছিলেন সীমত ফরম্যাটের ক্রিকেটে।
/আরআই/কেআর/