চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে উত্তরাঞ্চলকে ব্যাট করতে পাঠায় মধ্যাঞ্চল। দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার নাজমুল হোসেনের উইকেট তুলে নিয়ে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দেয় টসজয়ী দলটি। কিন্তু জহুরুল ইসলামকে সঙ্গে করে ৯৮ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি গড়ে তাদের মুখের হাসি কেড়ে নেন জুনায়েদ। ৩৯ রানে অধিনায়ক জহুরুল আউট হলে দ্রুত আরও একটি উইকেট হারায় উত্তরাঞ্চল।
দলীয় ১০৬ ও ১০৯ রানে দ্বিতীয় ও তৃতীয় উইকেট হারানোর পর আবার উত্তরাঞ্চলকে স্বস্তি এনে দেন জুনায়েদ, এবার তার সঙ্গে ১০৮ রানের জুটি গড়েন নাসির হোসেন। ব্যক্তিগত ৫৫ রানে নাসির আউট হলে জুনায়েদ আরেকটি শতাধিক রানের জুটি গড়েন ধীমান ঘোষের সঙ্গে। তাদের জুটিটি অপরাজিত ১১০ রানের। ধীমান ৫১ রানে ও জুনায়েদ প্রথম শ্রেণীর ১১তম সেঞ্চুরি করে ১৭২ রানে অপরাজিত। দিন শেষে চার উইকেট হারিয়ে ৩২৭ রান করেছে উত্তরাঞ্চল।
মধ্যাঞ্চলের সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন শহীদুল ইসলাম।
এদিকে দক্ষিণাঞ্চলের কোনও ব্যাটসম্যান উত্তরাঞ্চলের জুনাইদের মতো বড় কোনও ইনিংস খেলতে পারেননি। তবে তিনটি হাফসেঞ্চুরির সঙ্গে মাঝারি ইনিংসের সুবাদে দিন শেষে ৬ উইকেটে ৩৭৬ রান করেছে তারা।
পূর্বাঞ্চলের বিপক্ষে এ ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে প্রত্যাবর্তন হয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান ও রুবেল হোসেনের। তারা ঝলক দেখাতে পারেননি। কারণ দক্ষিণাঞ্চলের ব্যাটিং ইনিংস এখনও শেষ হয়নি।
সিলেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় বলেই ফজলে মাহমুদকে হারায় দক্ষিণাঞ্চল। তবে এনামুল হক (৮৯) ও তুষার ইমরানের (৬২) সঙ্গে জিয়াউর রহমানের (৫৫*) অপরাজিত হাফসেঞ্চুরিতে স্কোরবোর্ড শক্ত করেছে তারা। জিয়াউরের সঙ্গে সোহাগ গাজী খেলছেন ৪২ রানে। মোহাম্মদ মিথুনের ৪৭ ও মোসাদ্দেক হোসেনের ৩৯ রান ভালোই অবদান রেখেছে।
পূর্বাঞ্চলের এবাদত হোসেন সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন।
/এফএইচএম/