স্মিথের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় ২০০৩-০৪ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে। ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে মারলন স্যামুয়েলস হাঁটুর ইনজুরিতে ছিটকে গেলে নতুন বছরের টেস্ট দিয়ে শুরু হয় তার যাত্রা। আর শুরুতেই অভিষেকে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে স্পট লাইটে চলে আসেন। দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত থাকেন ১০৫ রানে। আর এই সেঞ্চুরিতেই ড্র করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। যেই ড্রয়ে প্রোটিয়াদের মাটিতে টানা হারের বৃত্ত থেকে নিজেদের মুক্ত করতে পারে ক্যারিবিয়ানরা। যদিও এরপর সর্বশেষ টেস্ট খেলেছেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ২০০৬ সালে।
দীর্ঘ ফরম্যাটের চেয়ে স্মিথ আরও বেশি সফল ছিলেন সীমিত ওভারের ফরম্যাটে। সঙ্গে মিডিয়াম পেসেও ভূমিকা রাখতে পারতেন। ক্যারিবীয়দের হয়ে ২০০৭ ও ২০১৫ বিশ্বকাপের স্কোয়াডে ছিলেন। ২০০৭ বিশ্বকাপে দ্রুত ছিটকে যাওয়ায় এরপর তিন বছর দলের বাইরে ছিলেন। যদিও ফের ২০১০ সালে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডেতে ফেরেন। ক্যারিবীয়দের হয়ে ২০০৭, ২০১২ ও ২০১৪ বিশ্ব টি-টোয়েন্টিতে ছিলেন তিনি। যদিও ২০১২ সালে একটি মাত্র ম্যাচই খেলার সুযোগ পান। ক্যারিয়ারে দলের হয়ে ৩৩টি টি-টোয়েন্টিতে ৫৮২ রান করেছেন। যেখানে রয়েছে মাত্র তিনটি হাফ সেঞ্চুরি।
দেশের হয়ে সেভাবে না খেলার সুযোগ পেলেও বিভিন্ন ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগে বেশ জনপ্রিয় ডোয়াইন স্মিথ। খেলেছেন আইপিএল, বিপিএল, সিপিএল ও ন্যাটওয়েস্ট টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে।
/এফআইআর/