অবশ্য মধ্যাহ্ন ভোজে যাওয়ার এক ওভার আগেও দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেয় সফরকারীরা। মেহেদি হাসান মিরাজের অফ স্টাম্পের বাইরের বল মারতে গিয়ে বোল্ড হয়ে ফেরেন ওপেনার করুনারত্নে। ব্যাটের ভেতরের কানায় লেগে বল আঘাত হানে স্টাম্পে। করুনারত্নে ফেরেন ৩০ রান করে। ৭৬ বলের ইনিংসে ছিল ২টি চার। প্রথম সেশনে ২৪ ওভারে বাংলাদেশ নিয়েছে দুই উইকেট। এরপরেই প্রতিরোধ দেওয়ার চেষ্টা করেন দুই ব্যাটসম্যান চান্দিমাল ও মেন্ডিস। আগের জুটির চেয়ে এই জুটি টিকে এক ওভার বেশি। যার স্থায়িত্ব ছিল ১৭.২ ওভার। আর রান এসেছে ৩২। মুস্তাফিজ মাঝে বেশ কয়েকবার আক্রমণে আসলেও সাফল্যের দেখা পাচ্ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ দিন পর ফিরেই আঘাত হানেন এই জুটিতে।
গলে মঙ্গলবার সকালে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে দেখে-শুনেই খেলছিল শ্রীলঙ্কা। দুই পেসার তাসকিন ও মুস্তাফিজুরকে দেখে খেলছিলেন দুই ওপেনার। যদিও তারা সেভাবে আগ্রাসী বোলিংয়ে ঘায়েল করতে পারেননি দুই ওপেনারকে। কিন্তু শুভাশিষ রায়কে বোলিংয়ে আনার পরই চিত্র যায় পাল্টে। দলীয় ১৫ রানে ৫.৪ ওভারে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন ওপেনার উপুল থারাঙ্গাকে। থারাঙ্গা বিদায় নেন ৪ রানে। অবশ্য পরের বলে ফিরতে পারতেন মেন্ডিস। শুভাশিষের দ্বিতীয় বলেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছিলেন। কিন্তু লেগ ‘নো’ হওয়ায় বেঁচে যান লঙ্কান এই ব্যাটসম্যান। এরপরেই জুটি গড়েন করুনা ও মেন্ডিস। দ্বিতীয় উইকেটে এই জুটিতে আসে প্রয়োজনীয় ৪৫ রান। আর হুমকি হয়ে দাঁড়ানো এই জুটিকেই ভেঙে দেন অফ স্পিনার মিরাজ।
প্রথম এই টেস্টে তিনটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। ভারত টেস্ট থেকে তিনটি পরিবর্তনে বাদ পড়েছেন সাব্বির, রাব্বি ও তাইজুল। সুযোগ পেয়েছেন মুস্তাফিজুর, লিটন ও শুভাশিষ। যেখানে বাংলাদেশ তিন পেসার নিয়ে খেলছে, সেখানে শ্রীলঙ্কা দুই পেসার ও তিন বিশেষজ্ঞ স্পিনার নিয়ে খেলছে। পিচে পরে টার্ন পাওয়া যাবে দেখেই এমনটি ভেবেছে স্বাগতিকরা।
/এফআইআর/