লক্ষ্যটা ১৬০ রানের মধ্যেই রাখতে চায় বাংলাদেশ

mosaddekচতুর্থ দিন শেষে নিশ্চিতভাবেই বলা যায় চালকের আসনে বাংলাদেশ। ১৩৯ রানে এগিয়ে থেকে দিন শেষ করেছে শ্রীলঙ্কা, হাতে আছে মাত্র ২ উইকেট। পঞ্চম দিনের শুরুতেই উইকেট দুটি তুলে নিয়ে লক্ষ্যটা ১৬০ রানের মধ্যে রাখতে চায় টাইগাররা।

এটা করতে পারলেই বাংলাদেশের শততম টেস্টের জয়টা সহজ হবে বলে মনে করছেন মোসাদ্দেক হোসেন। শনিবার ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ দলের প্রতিনিধি হয়ে এসেছিলেন অভিষেক ম্যাচে ৭৫ রানের ইনিংস খেলা এই ব্যাটসম্যান। সংবাদ সম্মেলনের তিনি উত্তর দিয়েছেন সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের। ‘বাংলা ট্রিবিউন’ পাঠকদের জন্য যা তুলে ধরা হলো-

প্রশ্ন : দিন শেষে জয়টাকে কতটা কাছে মনে হচ্ছে?

মোসাদ্দেক : ওদের রান এখনও খুব বেশি হয়নি। ১৩৫ রানের (আসলে ১৩৯) মতো হয়েছে। আমরা চেষ্টা করব ১৬০-এর মধ্যে আটকে দেওয়ার। যদি আমরা ১৬০ এর মধ্যে (শ্রীলঙ্কার লিড) অলআউট করতে পারি, জয়ের ক্ষেত্রে সেটা আমাদের জন্য খুব একটা কঠিন হবে না।

প্রশ্ন : সাকিব ও মুস্তাফিজের বোলিং দেখে আপনার উপলব্ধি?

মোসাদ্দেক : বিশ্বের অনতম্য সেরা বোলার এখন মুস্তাফিজ। সাকিব ভাই তো সব সময়ই সেরা। তাদের দুইজনের কী দায়িত্ব, সেটা তারা ভালো করেই জানে। তারা জানে কোন পরিস্থিতিতে কী করতে হবে। তাদের চেষ্টাতেই আমরা ম্যাচে ফিরেছি।

প্রশ্ন : সারাদিন বল করার অভিজ্ঞতা থেকে কি মনে হয়, শেষ দিনে ব্যাটিং করাটা কতটা কঠিন হবে?

মোসাদ্দেক : উইকেট যে খুব খারাপ হয়ে গেছে সেটাও বলা যাবে না। আবার খুব ভালো আছে, তাও না। এখন যারা ব্যাটিং করছে তারা বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান নয়। এটাই আমাদের জন্য ইতিবাচক দিক। কাল সকালে ভালো জায়গায় বোলিং করতে পারলে তাদের দ্রুত আউট করতে পারব।

প্রশ্ন : শেষ জুটিটা বাংলাদেশের জন্য হুমকি হয়ে গেল কি?

মোসাদ্দেক : শেষ দিনে তাদেরকে প্রথম থেকে শুরু করতে হবে। এটা আমাদের জন্য সুবিধাজনক। আমাদের চেষ্টা থাকবে যত দ্রুত সম্ভব তাদেরকে আউট করার।

প্রশ্ন : দলের এই পরিস্থিতিতে আপনার ৭৫ রানের ইনিংসটাকে কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?

মোসাদ্দেক : আমি কি করেছি, সেটা বড় ব্যাপার নয়। ম্যাচটি জিততে পারলে মনে হবে আমার রানটা দলের জয়ে কাজে লেগেছে।

প্রশ্ন : লাঞ্চ বিরতিতে কোচ কিংবা অধিনায়কের সঙ্গে বিশেষ কোনও কথা হয়েছিল?

মোসাদ্দেক : লাঞ্চের পর আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল একটা ব্রেক থ্রু। আমরা সেটা নিয়েই চিন্তা করছিলাম। এরপর একটা উইকেট বের হওয়ার পরই আমরা মূলত ম্যাচে ফিরে আসি।

/আরআই/কেআর/