আর তাতেই পকেটে পুড়েছেন দুই টেস্ট সিরিজের সিরিজসেরা পুরস্কার। পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে দাঁড়িয়ে সাকিব জানালেন তার অনুভূতির কথা, ‘এমন জয়ে দলের জন্য অবদান রাখতে পেরে আমি ভীষণ খুশি। সব সময়ই চেষ্টা করি। কখনো হয়, কখনো হয় না।’
কলম্বো টেস্টের চতুর্থ দিনে লাঞ্চ বিরতির পর মুস্তাফিজ ও সাকিব মিলে রঙ্গনা হেরাথের দলকে চেপে ধরেন। মুস্তাফিজ ও সাকিবের ওই স্পেলেই বাংলাদেশের দিকে ম্যাচ হেলে পড়ে। এছাড়া প্রথম ইনিংসে দলের অন্যরা যখন ব্যর্থ তখন সাকিব দলের কাণ্ডারি হয়ে উঠেন। মুশফিক ও মোসাদ্দেককে সঙ্গে নিয়ে বড় দুটি জুটি গড়েন সাকিব। এমনকি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সপ্তম উইকেটে সাকিব-মোসাদ্দেক জুটি রেকর্ড জুটি হয়ে আছে।
অথচ এই সাকিবকে নিয়েই কিছুদিন আগে ছিল সমালোচনা। সংবাদ মাধ্যম থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা হয়েছে তার ব্যাটিং নিয়ে। মূলত ওয়েলিংটন টেস্টে ক্যারিয়ার সেরা ২১৭ রান করার পরও তার আউট হওয়ার ধরন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সাকিব নিজের ব্যাটিং নিয়ে জানিয়েছিলেন এভাবে ব্যাটিং করে তিনি সাকিব হয়েছেন। ক্যারিয়ারের বাকি সময়টাতে এভাবেই ব্যাটিং করবেন!
অবশ্য কলম্বো টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষ বিকালে আউট হওয়ার নানা চেষ্টা করেও সফল হন! সেই সাকিবই তৃতীয় দিনে নেমে গেলেন পাল্টে। দৃঢ়তা দেখিয়ে ১১৬ রানের ইনিংস খেলেছেন। শেষ পর্যন্ত যদিও বাজে শটেই ফিরেছেন সাজঘরে।
/আরআই/এফআইআর/