বিভিন্ন রিপোর্টে জানা গেছে, প্রস্তাবে সাড়া না পেলেও আইসিসির আগামী মাসের সম্মেলনে গিয়ে সভার বাইরে পূর্বকথিত কিছু বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কথা বলবে পিসিবি। যদিও বাংলাদেশের শীর্ষ ক্রিকেট সংস্থা তাদের অবস্থানে অনড়।
বিসিবি তাদের সিদ্ধান্ত জানানোর পর গত সোমবার পিসিবি সভাপতি শাহরিয়ার খান বলেছিলেন, ‘আমরা এখন এ সিদ্ধান্ত নিয়ে আবারও আলোচনা করব। পাকিস্তান এরই মধ্যে অতীতে অন্তত দুইবার বাংলাদেশ সফর করেছে।’
জালাল ইউনুস গত বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘গত মাসে (ফেব্রুয়ারি) পিএসএল টি-টোয়েন্টি ফাইনালে আমরা বিসিবি নিরাপত্তা দলকে পাকিস্তানে পাঠিয়েছিলাম। রিপোর্ট যথেষ্ঠ সন্তোষজনক ছিল না যে কারণে আমরা পিছিয়ে গেলাম। এমনকি আইসিসি দেশটিতে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠিয়েছিল এবং এখনও কোনও অগ্রগতি চোখে পড়েনি তাদের।’
বিসিবির এ কর্মকর্তা অবশ্য বিকল্প প্রস্তাব দিলেন পিসিবিকে। প্রস্তাবিত টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিরপেক্ষ ভেন্যুতে হলে কোনও সমস্যা নেই।
একই সঙ্গে পাকিস্তানের ক্ষতিপূরণ দাবিকে অযৌক্তিক বলেছেন জালাল। নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ পাকিস্তান সফর প্রত্যাহার করায় পিসিবি যে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল সেটা তাই নাকচ করে দিয়েছে বোর্ড। তবে ক্ষতিপূরণের পরিমাণটা এখনও জানা যায়নি। ২০১২ সালে দুটি সফর বাতিল করায় ২০১৫ সালের এপ্রিলে পিসিবিকে তিন লাখ ডলার দিয়েছিল বিসিবি। সূত্র- ঢাকা ট্রিবিউন, বিজনেস রেকর্ডার
/এফএইচএম/