ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রবিবার টস হেরে কলকাতা ব্যাট করতে নামে। শুরুতেই বল হাতে হার্দিকের জোড়া আঘাত। একই ওভারে ক্রিজ ছাড়েন কলকাতার অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর (১৯) ও রবিন উথাপ্পা (৪)। যশপ্রীত বুমরাহ দলীয় ৬৭ রানে ক্রিস লিনকে ফেরালে উল্লাসে মাতে মু্ম্বাইয়ের হাজার হাজার দর্শক। বড় উইকেট হারালেও মনীষ দলকে টেনে নেন। বলতে গেলে একাই সামাল দিয়েছেন তিনি।
অন্য প্রান্তের ব্যাটসম্যানরা সুবিধা করতে পারেননি। লাসিথ মালিঙ্গা তার টানা দুই ওভারে উইকেট নিয়ে কলকাতার লাগাম টেনে ধরেছিলেন। তবে ৪৭ বলে ৫টি করে চার ও ছয়ে সাজানো মনীষের অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংস কলকাতার স্কোরবোর্ডকে সমৃদ্ধ করে। তারা ৭ উইকেটে ১৭৮ রান তোলে। এ ম্যাচেও ছিলেন না সাকিব আল হাসান।
মুম্বাইয়ের হার্দিক তিনটি ও মালিঙ্গা দুটি উইকেট নেন।
জবাব দিতে নেমে মুম্বাই রানের গতি বাড়াতে পারেনি। ১১৯ রানের মধ্যে তাদের ৫ উইকেট তুলে নিয়ে সহজ জয়ের সুবাস পেতে থাকে কলকাতা। কিন্তু রানা ও হার্দিকের ঝোড়ো জুটি মুম্বাইকে ম্যাচে ফেরায়। মাত্র ২.২ ওভারে ৪১ রানের জুটি গড়েন তারা, যেখানে মূল অবদান রানার। তবে জয় থেকে ১৯ রান দূরে থাকতে তাকে থামান আঙ্কিত রাজপুত। ২৯ বলে ৫ চার ও ৩ ছয়ে ৫০ রানে আউট হন রানা। তিনি মাঠ ছাড়লেও হার্দিক এনে দেন দারুণ জয়।
শেষ ওভারে মুম্বাইয়ের দরকার ছিল ১১ রান। ট্রেন্ট বোল্টের ওই ওভারে বাজে ফিল্ডিংয়ে ১ বল হাতে রেখে জয় পায় দলটি। বাকি রানগুলো এসেছে হার্দিকের ব্যাটে। ১১ বলে ৩ চার ও ২ ছয়ে ২৯ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। ম্যাচজয়ী বাউন্ডারি আসে তার ব্যাটে। মুম্বাইকে ৬ উইকেটে ১৮০ রান এনে দিতে দুই ওপেনার পার্থিব প্যাটেল (৩০) ও জোশ বাটলারের (২৮) অবদানও কম নয়।
দুই ম্যাচে একটি করে জয় ও হারের অভিজ্ঞতা হলো মুম্বাই ও কলকাতা। প্রথম ম্যাচে মুম্বাই হেরেছিল রাইসিং পুনে সুপারজায়ান্টসের বিপক্ষে। আর গুজরাট লায়ন্সকে হারায় কলকাতা।
/এফএইচএম/