অধিনায়ক ওয়ার্নারের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে হায়দরাবাদ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে স্কোরে জমা করে ১৫৯ রান। জবাবে ভুবনেশ্বর কুমারের অসধারণ বোলিংয়ে ১৯.৪ ওভারে অলআউট হয়ে যায় পাঞ্জাব ১৫৪ রান করে।
বোলিংয়ের শুরু আর শেষে ঝড় তুললেন ভুবনেশ্বর। এই পেসারের সুইংয়ে খেই হারানো পাঞ্জাব জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও পারেনি। ভুবনেশ্বরের ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে পাওয়া ৫ উইকেটের বোলিং ফিগারই বলে দেবে পাঞ্জাবের ব্যাটসম্যানদের ওপর কী ঝড়টাই না তুলেছিলেন তিনি! তবে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে যাকে ফিরিয়েছেন তিনি, সেই বোহরার কারণেই আসলে শেষ পর্যন্ত জমে ছিল ম্যাচ।
পাঞ্জাবের সেরা ব্যাটসম্যানরা যেখানে ব্যর্থতার মুখ লুকিয়েছেন, সেখানে বুক চিতিয়ে লড়াই করা বোহরা একটুর জন্য পাননি সেঞ্চুরির দেখা। ৫০ বলে ৯ চার ও ৫ ছক্কায় খেলেছেন ৯৫ রানের কার্যকরী ইনিংস। তিনি টিকে থাকলে হয়তো জয়টাও পেয়ে যেতে পারতো পাঞ্জাব। সেই সঙ্গে হামিশ আমলা (০), ম্যাক্সওয়েল (১০), মরগান (১৩), মিলার (১), ঋদ্ধিমান সাহা (০) হয়তো আফসোসে পুড়ছেন যে বোহরাকে কিছুটা সঙ্গ দিলে ম্যাচের ফলটা আসতো তাদের দিকেই!
এর আগে টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদের রানের চাকা ছিল মন্থর। যে ডেভিড ওয়ার্নার বোলারদের সামনে আতঙ্কের অন্য নাম, সেই তিনিও ব্যাটিং করেছেন তার স্বভাবের বাইরে গিয়ে। যদিও খোলস ভেঙে ঠিকই ফেরেন স্বরূপে। হায়দরাবাদের অধিনায়কের ৫৪ বলে ৭০ রানের ওপর ভর দিয়েই আসলে স্বাগতিকরদের রান যান ১৫৯ পর্যন্ত। উইকেটরক্ষক নামান ওঝাও রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ২০ বলে খেলেন ৩৪ রানের কার্যকরী ইনিংস। ওয়ার্নার ও ওঝার মাঝের ব্যাটসম্যানদের কেউই কিছু করতে পারেনি। ওপেনার শিখর ধাওয়ান (১৫) আউট হওয়ার পর কঠিন চাপে পড়া হায়দরাবাদকে টেনে তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন মোয়েসেস হেনরিকস (৯) ও যুবরাজ সিং (০)। ক্রিকইনফো
/কেআর/