সোমবার এমন এক উত্তেজনাকর ম্যাচে তিনটি সেঞ্চুরি এসেছে বিকেএসপিতে। চলতি মৌসুমে প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হয়েছে এই দুই ঐতিহ্যবাহী ক্লাব। ম্যাচটিতে প্রথম ইনিংসে আবাহনীর দুই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান লিটন কুমার দাস ও নাজমুল হোসেন শান্ত সেঞ্চুরি করেছেন। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি পেয়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান রকিবুল হাসানও।
টসে জিতে আগে ব্যাটিং করা আবাহনী নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন কুমার দাসের সেঞ্চুরিতে ৩৬৬ রান সংগ্রহ করে। লিটন শুরু থেকেই মোহামেডানের বোলারদের ওপর ছড়ি ঘুরাতে থাকেন। ১০৩ বলে ১৫ চার ও ২ ছক্কায় তিনি চলতি মৌসুমের প্র্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন। অনিয়মিত বোলার শামসুর রহমানের বলে আউট হওয়ার আগে ১৩৫ রানের ইনিংস খেলেন এই ওপেনার। আউট হওয়ার আগে নাজমুলের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ১০৯ রানের জুটি গড়েন।
তবে এই সঙ্গীকে হারিয়েও চুপসে যাননি নাজমুল। চলতি মৌসুমের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পান তিনি। এর আগে এই মৌসুমেই প্রাইম দোলেশ্বরের বিপক্ষে লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পান তরুণ এই ব্যাটসম্যান। ওই ম্যাচে ১০১ রানের অপরাজিত ইনিংস এসেছিল তার ব্যাট থেকে। কামরুল ইসলাম রাব্বির বলে আউট হওয়ার আগে ১০০ বলে ৩ চার ও ৬ ছক্কায় তিনি ১১০ রানের ইনিংস খেলেছেন। আর সেই লিটন-নাজমুলের ব্যাটেই ৩৬৬ রানের বড় সংগ্রহ পায় আবাহনী।
পাহাড়সম লক্ষের বিপরীতে খেলতে নামা মোহামেডান শুরুতে অবশ্য চাপে পড়ে। কিন্তু এই দলে খেলা অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান রকিবুল হাসানের সেঞ্চুরিতে চাপমুক্ত হয় কয়েক বছর ধরে শিরোপা বঞ্চিত থাকা মোহামেডান। আবাহনীর বোলারদের ওপর চেপে খেলে সেঞ্চুরি পূরণ করেছেন তিনি। ৬২ বলের ঝড়ো ইনিংসে সেঞ্চুরি পূরণ করতে ৮টি বাউন্ডারি ছাড়াও ছিল ৭টি ওভার বাউন্ডারি।
/আরআই/এফআইআর/